Saturday, May 25, 2024

Bangladesh Communal Riot : চিহ্নিত হয়েছে কুমিল্লার ঘটনায় অভিযুক্তকে, শীঘ্রই গ্রেপ্তার! বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনা প্রসঙ্গে জানালেন সে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক অশান্তির উৎস, মূল চক্রান্তকারীকে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে জানালেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন। শ্রী খাঁন জানিয়েছেন, আমরা ইতিমধ্যেই কুমিল্লার ঘটনায় মূল অভিযুক্তকে শনাক্ত করতে পেরেছি। ওই ব্যক্তি বারবার তার অবস্থান পরিবর্তন করছে। তবে বাংলাদেশ পুলিশ তাকে ট্র্যাক করে চলেছে। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তাকে আমরা ধরে ফেলতে পারব।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর কুর্মিটোলায় র‌্যাব (র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন) সদর দপ্তরে “র‌্যাবের প্রযুক্তিগত আধুনিকায়ন” কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই কথা জানিয়েছেন। র‌্যাবের মহাপরিচালক (ডিজি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “রংপুরে পরিতোষ নামের এক অল্প বয়সী ছেলে ফেসবুকে আপত্তিকর স্ট্যাটাস দিয়েছে। সেটাকে কেন্দ্র করেও হিংসার পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদের পুলিশ বাহিনী তার বাড়িঘর রক্ষায় সর্বত্র চেষ্টা করেছে। তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু ইতোমধ্যে তার পাশের গ্রামে অগ্নিসংযোগ, লুটপাট ভাঙচুর করা হয়েছে। ফেসবুকে মিথ্যা প্রচারের মাধ্যমে রামু, নাসিরনগর, ভোলায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের অপচেষ্টা করা হয়েছে।”

দেশের নাগরিকদের প্রতি আহবান জানিয়ে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “যখনই এসব ঘটনা আপনারা (গণমাধ্যমকর্মী) ফেসবুকে দেখেন, তার সত্যতা যাচাই করবেন। উত্তেজনা সংবরণ করবেন। খামোকা উসকানিতে কাণ্ড ঘটিয়ে বসবেন না। ইতোমধ্যে রংপুরে এহেন কাণ্ড ঘটিয়েছে। ভিডিও ফুটেজ ক্লিপ আকারে প্রচার করে একটি মহল নোয়াখালীর যতন সাহাকে একইভাবে হত্যা করা হয়েছে মর্মে অপপ্রচার করছে। যারা এই ধরনের অপপ্রচার চালিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করছে, তাদের হুঁশিয়ার করে দিচ্ছি, তাদের অবশ্যই খুঁজে বের করা হবে। তাদের জবাব দিতেই হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করবে। জবাব দিতে হবে তাদের, কেন তারা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও শান্তি বিনষ্ট করছে।”

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তফা কামাল উদ্দীন, পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন ও ইন্সপেকশন) মো. মইনুর রহমান চৌধুরী, ন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন মনিটরিং সেন্টারের পরিচালক (এনটিএমসি) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জিয়াউল আহসান, র‌্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল কে এম আজাদ প্রমুখ। এদিন অনেকের বক্তব্য থেকে এই কথা বেরিয়ে এসেছে যে, বহুক্ষেত্রেই পুরানো দিনের ভিডিও ক্লিপিং ব্যবহার করা হয়েছে হিংসা ছড়ানোর জন্য। এমন কিছু ভিডিও চিহ্নিত করা হয়েছে।

মঙ্গলবার বাংলাদেশের বিভিন্ন অংশে জোরালো প্রতিবাদ সভা, মিছিল, মিটিং ইত্যাদি হয়েছে ধর্মীয় মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করার চক্রান্তের বিরুদ্ধে। শিল্পী সাহিত্যিক ছাত্র শিক্ষক অধ্যাপকদের সংগঠনের পাশাপাশি বিভিন্ন গণসংঠন এই উদ্যোগ নিয়েছিল। এরকমই একটি সভায় বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বাংলাদেশের আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখেই এই ধরনের ঘটনা ঘটানো হচ্ছে। জনগনের সমর্থন তাদের পক্ষে নেই জেনেই এই পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে।

- Advertisement -
Latest news
Related news