Monday, June 17, 2024

School Closed: নজির বিহীন ঘটনা বাংলায়! উত্তর থেকে দক্ষিণবঙ্গে বন্ধ হয়ে গেল ৮৯টি হাইস্কুল

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণ বন্ধ করে দেওয়া হল ৮৯টি স্কুল। রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর সূত্রে জানা গেছে পড়ুয়া সংখ্যা শূন্য হয়ে যাওয়ায় এরকমই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন রাজ্য সরকার। ওই স্কুলগুলি থেকে ৩১১ জন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে অন্য স্কুলে বদলি করার সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছে স্কুল শিক্ষা দপ্তর। বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলগুলির মধ্যে রয়েছে জুনিয়র হাই (Junior High) থেকে হাইস্কুল (High School)। পরিস্থিতি বিচার করে স্কুলগুলি ভবিষ্যতে খোলা হবে নাকি চিরতরে বন্ধ করে দেওয়া হবে তা ঠিক করা হবে। তবে একটি সূত্রে জানা গেছে স্কুলগুলি ভবিষ্যতে খুলবে এমন সম্ভবনা খুবই কম।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

পর্ষদ সূত্রের খবর, যদি ওই এলাকায় নতুন করে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা বাড়তে থাকে যাদের কিনা পড়ার জন্য অনেক দুরে যেতে হচ্ছে তখন স্কুলগুলি ফের খোলা যেতে পারে। পরিস্থিতি বিচার করেই ভবিষ্যৎ কী হবে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত। বন্ধ হয়ে যাওয়া স্কুলের ইতিমধ্যে ১৭০ জনের বদলি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ মধ্যশিক্ষা পর্ষদের (West Bengal School of Secondary Education)। যার অর্ডারও ইতিমধ্যে বেরিয়ে গিয়েছে। সরকারি সূত্রে খবর পাওয়া যাচ্ছে যে ৩১১ জনকে বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যে স্কুলগুলিতে তুলনামূলক কম শিক্ষক শিক্ষিকা রয়েছে সেখানেই ওই শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রশ্ন উঠেছে সরকারি স্কুলগুলো থেকে কেন ছাত্রছাত্রীরা সরে যাচ্ছে, কেনই বা অভিভাবকরা আস্থা হারাচ্ছেন সরকারি স্কুলগুলির প্রতি? বিগত কয়েক বছরে ইংরেজি মাধ্যমে ভর্তি করানোর প্রবণতা বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে বাড়ছে। এটা কী তারই কারণ?এর আগে ছাত্র শূন্যতায় প্রাইমারি স্কুল বন্ধ হয়েছে। কিন্তু রাজ্যজুড়ে এত সংখ্যক আপার প্রাইমারি এবং হাইস্কুল বন্ধ হওয়া বেনজির বলেই মনে করছে শিক্ষা মহল।

উল্লেখ্য রাজ্যে উৎসশ্রী প্রকল্পে যে শিক্ষক বদলি শুরু হয়েছে তারই ফলে এই তথ্য প্রকাশ্যে এসেছে। সারা রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলের নাম রয়েছে এই তালিকায়। স্কুল বন্ধের তালিকায় সবচেয়ে বেশি হাওড়া এবং হুগলিতে। আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, বীরভূম, কলকাতা সহ প্রায় সব জেলাতেই স্কুল বন্ধ হচ্ছে। এই স্কুলগুলি নিয়ে আগামীদিনে কী হবে তা পরবর্তী পর্যায়ে ঠিক করা হবে। আপাতত শিক্ষা আধিকারিকদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে শিক্ষার প্রয়োজনে ওই স্কুল ব্যবহার করা যাবে। অথবা অন্য কোনও স্কুলের প্রয়োজনেও ব্যবহার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

- Advertisement -
Latest news
Related news