Tuesday, June 25, 2024

Kharagpur Midnapore: স্কুল খোলার মুখেই বাড়ছে করোনা, খড়গপুর মেদিনীপুরে ফের কন্টেন্টমেন্ট জোন

In West Midnapore, 22 new corona were caught on this day. It is learned that there are 234 active corona patients in the district at present. The district administration has been active on its basis. Newly, four wards of Medinipur and Khargpur municipalities have been declared as contentment zone. On Tuesday afternoon, District Magistrate Rashmi Kamal issued a directive stating that 3 wards of Medinipur and 1 ward of Khargpur would be brought under the contentment zone from 5 days from Monday to Thursday. According to the West Midnapore district administration, the list of boundary areas from November 11 to 15 includes Saratpalli of Ward No. 23, Sardapalli of Ward No. 9, Tantigeria of Ward No. 4 and South Side of Ward No. 26 adjacent to Bogda at the southern end of Khargpur. Everything except emergency services will be closed in those areas. Traffic in the area will be controlled for the next 5 days. It will not be possible to enter and leave the marked area without urgent need. Note that after the outbreak of corona in the third phase, the content zone has been declared for the second time in Kharagpur and Medinipur. Shortly after Pujo, 13 areas in Medinipur and Kharagpur were cordoned off and monitored. According to the district administration, the initiative has been taken to keep an eye on the areas in line with the increase in the number of corona cases in the last few days.

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: আরও মাত্র কয়েকটা দিন। শুরু হতে চলেছে নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেনীর পঠন পাঠন। তারই মধ্যে নতুন করে করোনার প্রকোপ বাড়ায় চিন্তিত স্কুল প্রশাসন ও অভিভাবকরা মঙ্গলবার রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর প্রকাশিত বুলেটিনে দেখা গিয়েছে শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে ৭৮৮ জন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। আগের ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৬০৩।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

অর্থাৎ ২৪ঘন্টায় অতিরিক্ত ১৮৫ জন আক্রান্ত হয়েছেন। জেলার সঙ্গে তাল মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে কলকাতাতেও। শেষ ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় দৈনিক আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে ২০২। মঙ্গলবার পের করে রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ৮৭৯। এর মধ্যে এখনও পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৫ লক্ষ ৭২ হাজার ৭১১ জন। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে সুস্থ হয়েছেন ৭৫৯ জন। রাজ্যে এখন সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্যা ৭ হাজার ৯১৬। উল্লেখযোগ্য ভাবে শেষ ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে সক্রিয় আক্রান্তের সংখ্যা। তবে এ সবের মধ্যে কমেছে দৈনিক মৃত্যু ও সংক্রমণের হার। শেষ ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে করোনায় মৃত্যু হয়েছে ১২ জনের, সংক্রমণের হার কিছুটা কমে দাঁড়িয়েছে ২.১২ শতাংশ।

জেলাভিত্তিক সংক্রমণের তালিকায় এখনও শীর্ষে রয়েছে কলকাতা। কলকাতায় ফের দৈনিক সংক্রমণ ২০০-এর গণ্ডি ছাড়িয়ে গিয়েছে। শেষ ২৪ ঘণ্টায় ২০২ জন নতুন করোনা আক্রান্তের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। তালিকায় এর পরেই রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, সেই জেলায় দৈনিক আক্রান্ত ১৪৬। তালিকায় এর পরেই রয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা (৭০), হুগলি (৭৫), হাওড়া (৬৯), নদিয়া (৪০)।

পশ্চিম মেদিনীপুরে এদিন নতুন করে ২২জনের করোনা ধরা পড়েছে। জেলায় এই মুহূর্তে ২৩৪জন সক্রিয় করোনা রোগী রয়েছেন বলে জানা গিয়েছে। তারই ভিত্তিতে সক্রিয় হয়েছে জেলা প্রশাসন। নতুন করে মেদিনীপুর ও খড়্গপুর পুরসভার চারটি ওয়ার্ডকে গণ্ডিবন্ধ এলাকা বলে ঘোষণা করা হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেলে জেলাশাসক রশ্মি কমল এক নির্দেশিকা জারি করে জানিয়েছেন আগামীকাল অর্থাৎ বৃহস্পতিবার থেকে আগামী ৫দিন, সোমবার অবধি কন্টেন্টমেন্ট জোনের আওতায় আনা হচ্ছে মেদিনীপুরের ৩টি এবং খড়্গপুরের ১ টি ওয়ার্ডকে।

পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১১ থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত গণ্ডিবদ্ধ এলাকার তালিকায় রয়েছে মেদিনীপুর শহরের ২৩ নম্বর ওয়ার্ডের শরৎপল্লি, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সারদাপল্লি, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তাঁতিগেড়িয়া, খড়্গপুর শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত বোগদা লাগোয়া ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাউথ সাইড থার্ড অ্যাভিনিউ। জরুরি পরিষেবা ছাড়া বাকি সব কিছু বন্ধ থাকবে ওই সব এলাকায়। ওই এলাকায় যাতায়াত নিয়ন্ত্রিত করা হবে আগামী ৫ দিন। বৃহস্পতিবার থেকে পরবর্তী ৫দিন অর্থাৎ সোমবার অবধি ওই চিহ্নিত এলাকায় জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঢোকা এবং বেরুনো যাবেনা।

উল্লেখ্য তৃতীয় দফায় করোনার প্রকোপ বাড়ার পর এই নিয়ে দ্বিতীয় বার কন্টেন্টমেন্ট জোন ঘোষিত হল খড়গপুর ও মেদিনীপুরে। পুজোর ঠিক পরে পরই মেদিনীপুর ও খড়গপুর শহরে ১৩টি এলাকাকে গণ্ডিবদ্ধ করে নজরদারি চালানো হয়েছিল। জেলা প্রশাসনসূত্রে জানানো হয়েছে গত কয়েক দিনের মধ্যে করোনা-আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এলাকাগুলির ওপর নজরদারি রাখার জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

- Advertisement -
Latest news
Related news