Saturday, May 25, 2024

High Court: মুখ পুড়ল রাজ্যের! দুর্নীতির অভিযোগে স্কুলের ৫৭৩ গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীকে বরখাস্ত করার নির্দেশ আদালতের

At the same time, the court ordered the dismissal of 573 group 'D' workers. During the course of the case, corruption was becoming more and more evident with this appointment. The responsibility of recruitment was being imposed on each other by the School Service and the Board of Secondary Education. The court severely reprimanded both the organizations. His final verdict was announced on Wednesday and the Calcutta High Court ordered the dismissal of 573 people in state schools in connection with the recruitment case. At the same time, Justice Abhijit Gangopadhyay has ordered to return the salary that has been given to them so far. His observation is, "there has been skyrocketing corruption in Group D recruitment."

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: হওয়ারই ছিল এবং হয়েও গেল। এক সাথে ৫৭৩ গ্রুপ ‘ডি’ কর্মীকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিলেন আদালত। মামলা চলাকালীনই এই নিয়োগ নিয়ে পাহাড় প্রমান দুর্নীতি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছিল। নিয়োগের দায় একে অপরের ওপর চাপাচ্ছিল স্কুল সার্ভিস ও মধ্য শিক্ষা পর্ষদ। দুই সংস্থাকেই তীব্র ভর্ৎসনা করেছিলেন আদালত। বুধবার তারই চূড়ান্ত রায় ঘোষণা হল এবং রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে সেই নিয়োগ সংক্রান্ত মামলায় ৫৭৩ জনকে চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট। সেইসঙ্গে এতদিন তাঁদের যে বেতন দেওয়া হয়েছে, তাও ফেরানোর নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তাঁর পর্যবেক্ষণ, ‘গ্রুপ ডি নিয়োগে আকাশছোঁয়া দুর্নীতি হয়েছে।’

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

২০১৬ সালে রাজ্যের স্কুলে গ্রুপ ‘ডি’ বা চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগের ক্ষেত্রে দুর্নীতির অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)। বুধবার হাইকোর্টে সেই মামলার শুনানিতে বিচারপতি বলেন, ‘গ্রুপ ডি নিয়োগে আকাশছোঁয়া দুর্নীতি হয়েছে।’ সেই পরিস্থিতিতে নিয়ম না মেনে যে ৫৭৩ জনকে নিয়োগ করা হয়েছে, তাঁদের চাকরি থেকে বরখাস্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি। তাঁরা এতদিন যে বেতন পেয়েছেন, তাও ফেরত দিতে হবে। জেলা স্কুল পর্যবেক্ষকদের (ডিআই) সেই কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। সেইসঙ্গে স্কুলে গ্রুপ ‘ডি’ কর্মী নিয়োগ মামলায় হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ যে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছিল, সেই কমিটিকে আগামী সোমবারের (১৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট পেশের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়।

ইতিমধ্যেই এঁদের বেতন বন্ধ করার যে নির্দেশ আদালত দিয়েছিল সেই নির্দেশ মেনেই সরকার এদের বন্ধ করে দেয়। এবার এতদিনের বেতন কিভাবে সরকার আদায় করে সেটাই দেখার। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালে চতুর্থ শ্রেণির কর্মী নিয়োগের যে সুপারিশ করেছিল রাজ্য সরকার, তাতে একাধিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। পরীক্ষা ও ইন্টারভিউয়ের পর প্যানেল তৈরি করে দেয় কমিশন। অভিযোগ ওঠে, ২০১৯ সালে প্যানেলের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে অভিযোগ উঠেছিল, বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছিল ২৫ জনকে। পরে দাবি করা হয়েছিল, আরও অনেক প্রার্থীকে বেআইনিভাবে নিয়োগ করা হয়েছে।

মামলার শুরুতে কয়েকদিন মামলা চলার পর সিবিআই তদন্তের কথাও বলেছিল কলকাতা হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, পর্ষদ এবং কমিশনের হলফনামা থেকেই স্পষ্ট যে নিয়োগ প্রক্রিয়ার অস্বচ্ছতা আছে। যেহেতু দুটিই সংস্থা রাজ্যের, তাই প্রাথমিকভাবে অনুসন্ধান করবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা সিবিআই। সেই রায়ের বিরুদ্ধে ডিভিশন বেঞ্চে যায় রাজ্য সরকার। প্রাথমিকভাবে তিন সপ্তাহের জন্য সিবিআই অনুসন্ধানের উপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিল বিচারপতি হরিশ ট্যান্ডন এবং বিচারপতি রবীন্দ্রনাথ সামন্ত। যদিও গত বছরের ডিসেম্বরে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, স্কুলে গ্রুপ ডি কর্মী নিয়োগ মামলায় সিবিআই অনুসন্ধান করবে না। অবশেষে এই রায়ে সেই তদন্তের সমাপ্তি ঘটল।

- Advertisement -
Latest news
Related news