Thursday, May 23, 2024

Mobile Game: রেল লাইনে বসে নিমগ্ন মোবাইল গেমে, ট্রেন পিষে দিয়ে গেল দুই যুবককে! মর্মান্তিক ঘটনায় শোকস্তব্ধ চোপড়া

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিউজ ডেস্ক: আবারও সেই মোবাইল গেমের মারন নেশা আর আবারও সেই অকাল মৃত্যু। আর এবার একজন নয়, ট্রেন পিষে দিয়ে গেল দুই বন্ধুকেই। লকডাউনে রেললাইনে ট্রেন চলেনা খুব একটা। কালেভদ্রে মালগাড়ি বা দু’একটা স্পেশাল ট্রেন। তাই রেললাইনে বসেই একমনে গেম খেলতে মগ্ন থাকাকালীন দুই যুবক বুঝতেই পারেননি সামনের লাইন দিয়ে যাওয়া ট্রেনের আওয়াজে চাপা পড়ে গেছে তাঁদেরই বসে থাকা লাইন দিয়ে আসা ট্রেন রূপী মৃত্যুর শব্দ।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

রবিবার গভীর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর দিনাজপুর জেলার চোপড়া থানার হাপতিয়াগছ গ্রাম পঞ্চায়েতের ধুমডাঙ্গি কণাগছ এলাকায়।স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, এই দুর্ঘটনায় এলাকার ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে উত্তর পূর্ব রেলের সদর দপ্তর মালিগাঁও সূত্রে দুজনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। গোটা ঘটনায় স্তম্ভিত ওই এলাকা। হাহাকার দীর্ন ওই দুটি পরিবারের সদস্যরা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে , রবিবার গভীর রাতে এলাকার কয়েক জন যুবক রেললাইনের উপর বসে একমনে ভি ডি ও গেম খেলতে মগ্ন থাকাকালীন ওই লাইন দিয়ে আচমকাই ট্রেন চলে আসে। কিছু বুঝে ওঠার আগেই তাদের দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ঘটনাস্থল খতিয়ে দেখতে রবিবার রাতেই ছুটে আসে ধুমডাঙ্গি স্টেশনের রেল পুলিশ আধিকারিকরা। রেল লাইনের উপরে ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে দেহাংশ। পড়ে ছিল জুতো মোবাইল-এর হেডফোন সহ অন্যান্য সরঞ্জাম।

স্থানীয় বাসিন্দারা দাবি করেছেন প্রচন্ড গরম থাকায় রাতে ট্রেন লাইনের ওপর বসেছিলেন বেশ কয়েকজন যুবক। ওই সময় বিপরীত লাইন দিয়ে যাচ্ছিল একটি ট্রেন। সেই ট্রেনের শব্দে তারা বুঝতেই পারেনি যে তাঁরা যে লাইনে বসে রয়েছেন সেই লাইনেও ছুটে আসছে আরেকটি ট্রেন। মুহূর্তেই ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় কয়েকটি দেহ। ঘটনার খবর পেয়েই ছুটে যান স্থানীয় গ্রামবাসীরা। ছুটে আসেন রেল পুলিশের কর্মীরা এবং রেল আধিকারিকরা। বিভিন্ন দেহাংশ ও পোশাক দেখে সনাক্ত করা হয় দুটি দেহ।

পরিবারের পক্ষ থেকে দেহ গুলো রেল লাইনের উপর থেকে রাতেই নিয়ে গিয়ে দাহ করা হয়েছ বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে। ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। ওই এলাকায় কর্তব্যরত এক রেলকর্মী শশী কুমার জানান, আপ এবং ডাউনে দুটি ট্রেন আসতেই এই বিপত্তি ঘটেছে। ঘাতক ট্রেনটির চালক বারংবার হর্ন দিলেও তা শুনতে পাননি হতভাগ্য মানুষরা। ঘটনায় রেল এবং জিআরপি পৃথক তদন্ত শুরু করেছে।

- Advertisement -
Latest news
Related news