Saturday, April 20, 2024

Bagtui Massacar: ‘সিরিয়াস ক্রাইম’! বগটুই গণহত্যা কান্ডে CBI তদন্তের নির্দেশ, গ্রেফতার হতে পারেন একাধিক পুলিশ আধিকারিক

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: মামলা গ্রহণ করেই বগটুই গণহত্যা (Bagtui Massacre)  কান্ডকে ‘সিরিয়াস ক্রাইম’ বলে মন্তব্য করেছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Kolkata High Court) প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব। ঘটনার ৪দিনের মাথায় সেই বগটুই কাণ্ডে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট (CBI In RBagtui Massacre)। শুক্রবার মামলার চূড়ান্ত
“ঘটনার সবটা শুনেছি। বিচারের জন্য এবং সত্য উদঘটনের জন্য CbI তদন্ত করবে। ন্যায়বিচারের স্বার্থে বগটুই কাণ্ডের তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়া হল। সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। সিবিআই তদন্ত করে একটা রিপোর্ট দেবে। ৭ এপ্রিলের মধ্যে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দিতে হবে।” উল্লেখ্য বগটুই গণহত্যার খবর আসার পরই স্বতঃপ্রণোদিত মামলায় রায় ঘোষণা করে জানাল আদালত। হাইকোর্টের রায়ের ফলে SIT আর কোনও তদন্ত করতে পারবে না। ধৃতদের সিবিআই-এর হাতে তুলে দিতে হবে।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

বুধবারই বগটুই গণহত্যাকান্ড কে প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব এই ঘটনাকে সিরিয়াস ক্রাইম বলে উল্লেখ করেছিলেন এবং বলেছিলেন প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তব বলেন, “যে ধরণের ঘটনা, সেটা নিঃসন্দেহে জনমানসে প্রভাব ফেলছে। তাই নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্ত বিশদে করা উচিত যাতে সত্য উদঘাটন হয়।”  প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, একইসঙ্গে  এই ঘটনার সমস্ত প্রমাণ সুরক্ষিত রাখতে হবে। যে এলাকায় ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে সিসিক্যামেরা বসানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন সব রেকর্ড করতে হবে। একটুও সময় নষ্ট না করে সেন্ট্রাল ফরেনসিক সায়েন্স ল্যাবরেটরি (CFSL) কে ওই জায়গায় যাওয়ার নির্দেশ দেওয়াও হয়েছিল। যদিও তারপরও স্বজনহারাদের স্পষ্ট ভাবেই জানিয়েছিলেন, পুলিশের ওপর তাঁদের আস্থা নেই। পুলিশ এক্ষেত্রে নীরব দর্শক। তাই সঠিক তদন্ত পুলিশ করতে পারবে না বলেই অভিযোগ তাঁদের।

বগটুই গণহত্যা কান্ড CBI করবে কী করবেনা এই নিয়ে শুনানির সময় CBI তদন্তের পক্ষে থাকা আইনজীবীদের বক্তব্য, সিটের তদন্তে থাকা দুই অফিসার জ্ঞানবন্ত সিং ও সঞ্জয় সিংয়ের পূর্ব রেকর্ড রয়েছে। জ্ঞানবন্ত সিং একটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন, সঞ্জয় সিংকে নির্বাচন কমিশন শোকজ করেছিল, তাহলে তাঁদের কীভাবে সিটে রাখা হল? এই বিষয়টি আদালতে জানান মামলাকারীরা। মনে করা হচ্ছে সেই দাবিগুলিকেই মেনে নিয়েছেন প্রধান বিচারপতি। এদিকে বগটুই গণহত্যাকান্ডে নিহত পরিবারগুলির পক্ষ থেকে বারংবার দাবি করা হয়েছিল যে পুলিশ ঘটনাস্থলে থেকেও নিষ্ক্রিয় ছিল এবং তৃনমূল কংগ্রেসের নেতারাও পুলিশকে নিষ্ক্রিয় রেখেছিল। পুলিশ এবং নিজেদের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে এই ক্ষোভ টের পেয়েই মুখ্যমন্ত্রী স্থানীয় IC ও SDPO কে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পরে সাসপেন্ড করা হয় তাঁদের। কিন্তু এবার তাঁদের নিজেদের হেফাজতে নিয়ে জেরাও করতে পারে পুলিশ।

ঘটনায় রাজনৈতিক চাপান উতোর তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে মুখ্যমন্ত্রী যেখানে নিজে ঘটনাস্থলে গিয়ে নিজের দলের নেতাদের গ্রেফতার করিয়েছেন, গণহত্যায় নিহত পরিবারগুলিকে ক্ষতিপূরণ দিয়ে এসেছেন তখন নতুন করে CBI কেন? আসলে আদালতের নির্দেশে এখানে CBI কাজ হচ্ছে গনহত্যার চক্রান্তটাকে উন্মোচন করা। কী ভাবে এই পরিকল্পনা হয়েছিল, কারা কারা ছিল, সেই সময় পুলিশ কী করছিল ইত্যাদি বিষয়গুলিকে তুলে আনা।

- Advertisement -
Latest news
Related news