Monday, May 20, 2024

SSC: শনি কাটছেনা SSC নিয়োগে! আরও ৩৫০ জনের বেতন বন্ধ হওয়ার পথে

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাজ্যের বিদ্যালয়গুলিতে কর্মরত আ্যকাউন্টেন্ট, লাইব্রেরিয়ান, ল্যাবরেটরি আ্যসিটেন্ট সহ প্রায় আরও সাড়ে তিনশ জনের বেতন বন্ধ হতে চলেছে। বে-আইনি ভাবে নিয়োগের অভিযোগেই এই পরিস্থিতির পথে হাঁটতে চলেছে আদালত। ইতিমধ্যেই ৫২৫জনের বেতন বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল আদালত। বৃহস্পতিবার আরও সাড়ে তিনশো জন কর্মীর বেতন বন্ধের পথে। বৃহস্পতিবার এই সংক্রান্ত মামলাটি শুনানির জন্য কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta HC) বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়ের এজলাসে উঠলে তিনি আরও ৩৫০ জনের নিয়োগ সংক্রান্ত নথি খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন। বিচারপতির বক্তব্য, তাতে যদি দেখা যায়, নিয়োগ নিয়ম মেনে হয়নি, তাহলে এই ৩৫০ জনের বেতনও বন্ধ করে দিতে হবে। আগামী ১৪ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানি।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

এর আগে মঙ্গলবারই এই মামলার শুনানি ছিল হাই কোর্টে, বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেঞ্চে। ওইদিন এক ব্যতিক্রমী ঘটনা ঘটে। ২০১৯ সালের ১৮ মে-র পর সুপারিশের ভিত্তিতে এসএসসির (SSC) গ্রুপ-সি বিভাগে অনেকের নিয়োগ হয়। কিন্তু সেই নিয়োগেও বড় দুর্নীতি হয়েছে বলে অভিযোগ। মঙ্গলবার বিচারপতি অভিজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায়ের সিঙ্গল বেঞ্চে সেই শুনানি চলাকালীন এক মামলাকারীর নিয়োগপত্রে গরমিল ধরা পড়ে যায়। বিচারপতি দেখেন, তাঁর সুপারিশপত্রটি মেয়াদ উত্তীর্ণ। সঙ্গে সঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুরে (East Midnapore) কর্মরত ওই কর্মীর বেতন বন্ধের নির্দেশ দেন বিচারপতি। ওইদিনই বিচারপতি বাকি ৩৫০ জন কর্মীর নিয়োগ সংক্রান্ত নথি পরীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হবে

আজ ফের এই মামলার শুনানিতে ৩৫০ জনের নথি হাই কোর্টে জমা পড়ে। এই মামলায় উচ্চ আদালতের নির্দেশে এবার মধ্যশিক্ষা পর্ষদকেও যুক্ত করা হয়েছে। কারণ, এসএসসি-তে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগের সুপারিশ করে কমিশন, কিন্তু নিয়োগপত্র দেয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদই। তাই তাদেরও যুক্ত করা হয়েছে। এদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, কীসের ভিত্তিতে এই নিয়োগ হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে হবে। যদি দেখা যায়, নিয়োগ আইন মেনে হয়নি, তাহলে কর্মীদের বেতন বন্ধ করে দিতে হবে। এছাড়া চারদিনের মধ্যেই এই সংক্রান্ত তথ্য আদালতে জমা দিতে হবে।

উল্লেখ্য আগে যে ৫২৫ জনের বেতন বন্ধ করা হয়েছিল তাঁরা ছিলেন গ্রূপ-ডি কর্মী। ওই মামলায় আদালত মন্তব্য করেছিলেন এই দুর্নীতির মাধ্যমে নিয়োগের ক্ষেত্রে বিরাট পরিমান আর্থিক লেনদেনের আশঙ্কা রয়েছে। তাই বিষয়টি তদন্তের আওতায় আনা উচিৎ। এরপরই CBI তদন্ত করার আদেশ দেয়। পরে রাজ্য ডিভিশন বেঞ্চে যাওয়ায় আপাততঃ তা স্থগিত রয়েছে। এবার গ্রুপ-সি অর্থাৎ আ্যকাউনটেন্ট, লাইব্রেরিয়ান, ল্যাব আ্যসিসটেন্ট ইত্যাদি পদে নিয়োগেও সেই অভিযোগ চলে এল।

 

- Advertisement -
Latest news
Related news