Tuesday, April 16, 2024

Partha Arpita Monalisa: অর্পিতার সঙ্গে নিজের নাম মিলিয়ে বাড়ির নাম রেখেছিলেন ‘অপা!’ শান্তিনিকেতনেই গোটা সাতেক বাড়ি, বারবার আসতেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: ১০টা নাকি ১৪টা বাড়ি? বাড়ির মালিক কে? পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের (Partha Chatterjee) নিজে নাকি অর্পিতা, মোনালিসা? ইডি নিশ্চিতভাবেই সেসব খুঁজে বের করবে কিন্তু আপাততঃ সাতটি বাড়ির সন্ধান মিলেছে শান্তিনিকেতনে। বর্তমানে সমস্ত বাড়িতেই তালা। এই বাড়িগুলি পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অর্পিতা মুখোপাধ্যায় ও মোনালিসা দাসের নামে রয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। তবে এনিয়ে সরাসরি মুখ খুলতে চাইছেন না কেউই। এই সাতটি বাড়ি রয়েছে, শান্তিনিকেতন এলাকার ফুলডাঙা, বনভিলা, জাম্বুনি বাসস্ট্যান্ড ও প্রান্তিক এলাকায়। শান্তিনিকেতনে এলে প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী এই বাড়িগুলিতেই রাত্রিবাস করতেন বলে জানা গিয়েছে।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

এই বাড়িগুলির নাম তিতলি, চারবাড়ি, মৃণালিনী ইত্যাদি। তবে একটি বাড়ির নাম বড় অদ্ভুত।শান্তিনিকেতন এলাকার ফুলডাঙায় অবস্থিত ওই ‘অপা।’ বাংলায় ওই নামের কোনও অর্থ হয়না ঠিকই তবে মনে করা হচ্ছে নিজেদের বন্ধুত্বের প্রতীক হিসাবেই  অর্পিতা ও পার্থর নামের মিল করে দেওয়া হয়েছে ‘অপা’। এছাড়াও জাম্বুনি বাসস্ট্যান্ড এলাকায় একটি চার হাজার স্কোয়ার ফুটের একটি ফ্ল্যাট রয়েছে। যেখানে নিয়মিত যাতায়াত করতেন অর্পিতা।

এখানকার কিছু বাড়ি অবশ্য পার্থ ঘনিষ্ঠ অন্যদিকে  মোনালিসা দাসের নামেও থাকতে পারে। একদা বিশ্বভারতীর বাংলা বিভাগের ছাত্রী ছিলেন মোনালিসা যে যুবকের সঙ্গে বিবাহ সূত্রে আবদ্ধ হন তিনি ছিলেন বিমান চালক। স্বামীর মাধ্যমেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে মোনালিসার। সালটা ২০১২। এরপরেই পার্থবাবুর শান্তিনিকেতন যাতায়াত বেড়ে যায়। মোনালিসাকে আসানসোলের একটি কলেজে অধ্যাপিকা হিসেবে নিয়োগ করেন পার্থবাবু। সেই থেকেই শান্তিনিকেতন এলাকায় একের পর এক বাড়ি কিনতে শুরু করেন মন্ত্রী।
তবে ২০১৬ সালে অবস্থার পরিবর্তন ঘটে। ওই সময় অভিনেত্রী অর্পিতা মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের। দুরত্ব বাড়তে থাকে মোনালিসার সঙ্গে।

ওই সময় বেশকিছু বাড়ির দেখভাল করতেন অর্পিতা। ইতিমধ্যে সম্ভবতঃ পার্থর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা বাড়ায় স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় মোনালিসার। স্থানীয় সূত্রে খবর, বাড়িগুলির অধিকাংশই বাগান বাড়ির মতো। মাঝেমধ্যেই সেখানে পার্থ-অর্পিতা থাকতেন। বিশেষ করে শিক্ষামন্ত্রী থাকাকালীন পার্থবাবু বেশি যাতায়াত করতেন বলে খবর। বীরভূমের একটি সংবাদ চ্যানেল পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের
জাম্বুনি ফ্ল্যাটের প্রতিবেশী বিদ্যুৎ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলেছে। বিদ্যুৎবাবু তাঁদের জানিয়েছে , ‘২০১৩ সালে ফ্ল্যাটটি পার্থ চট্টোপাধ্যায় কেনেন। সেখানে মাঝেমধ্যেই অর্পিতা দামি দামি গাড়ি নিয়ে আসতেন। কিছুক্ষণ থেকে ফের বেরিয়ে যেতেন। বাড়ির ভেতরে মূল্যবান জিনিস দিয়ে সাজানো হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে বাড়ি সাজানোর কাজ করা হয়েছে। তবে ওই ফ্ল্যাটে পার্থবাবু কোনও দিন আসেননি।‘ যদিও বিদ্যুৎবাবুর এই মন্তব্যের সত্যতা যাচাই করেনি KGP-বাংলা।

- Advertisement -
Latest news
Related news