Monday, April 15, 2024

Tragic Death: উচ্চমাধ্যমিকে পাশ করানোর আন্দোলন নিয়ে মিমের বন্যা বইয়ে আত্মহত্যা শম্পার! মানসিক অবসাদেই এই ঘটনা জানালো পুলিশ

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় (HS Exam) ইংরেজিতে (English Paper) পাশ করতে পারেননি। তাই উর্ত্তীণ হতে পারেননি। তারপর পাশ করানোর দাবীতে অনেকে মিলে আন্দোলনে বসেছিলেন জাতীয় সড়ক অবরোধ করে। সেই আন্দোলন নিয়ে মিমের বন্যাও বয়ে যায়। শেষ অবধি গলায় ফাঁস দিয়ে এক আত্মহত্যা করলেন সেই ছাত্রী। মালদার (Malda) হব্বিপুর থানার ডুবা পাড়া এলাকার এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে (Post Mortem) পাঠিয়েছে। শুরু করা হয়েছে তদন্ত । জানা গেছে মৃত ছাত্রীর নাম শম্পা হালদার (১৭)। স্থানীয় আরএন রায় গার্লস স্কুলের (RN Roy Girls School) ছাত্রী ছিলেন তিনি। পুলিশের প্রাথমিক ধারণা মানসিক অবসাদ থেকেই এই ঘটনা।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

উল্লেখ্য গত কয়েকদিন ধরেই উচ্চমাধ্যমিকে (Higher Secondary) ফেল করা পড়ুয়াদের লাগাতার আন্দোলন দেখা যায় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে। সেই আন্দোলন থেকে বাদ যায়নি মালদাও। আন্দোলনে সামিল হয়েছিলেন হবিবপুরের আরএন রায় গার্লস হাইস্কুলের বহু পড়ুয়াই। তাঁদের নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছিল স্কুলেরই ছাত্রী শম্পাকে। সেই আন্দোলনকে ঘিরে শুরু হয় প্রবল মিমও। কেউ বলতে পারেননি আমব্রেলা বানান, কেউ আবার ইংরেজিতে ম্যাসেজ করেও পাশ করেননি বলে শুরু হয় কটাক্ষ। তারই মধ্যে এই আত্মহত্যার ঘটনা কী শুধুই পাশ করতে না পারা নাকি মিম, এ প্রশ্নও উঠে গিয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।

উল্লেখ্য, এবছর আরএন রায় স্কুল থেকে মোট ১৮০জন উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়েছিলেন। তার মধ্যে থেকে মাত্র ৮০জন পাশ করেছিলেন। আর বাকি সবাই কোনও না কোনও বিষয়ে পাশ করতে পারেননি। এরপর পাশ করানোর দাবিতে মালদা বুলবুলচণ্ডী রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান তাঁরা। সম্প্রতি জেলা শিক্ষা দফতর ঘেরাও করেও বিক্ষোভ দেখান। এই বিক্ষোভে সামিল ছিলেন শম্পা। শনিবার বাড়ির ছাদে চিলেকোঠায় তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান মানসিক অবসাদের জেরে আত্মহত্যা করেছেন তিনি। উচ্চমাধ্যমিকে ফেল করার পর আন্দোলনরতদের প্রথমসারিতেই দেখা গিয়েছিল শম্পাকে।

শম্পার বাবা কুশি হালদার বলেন, “পরীক্ষায় ফেল করায় পরিবারের সদস্যদের অলক্ষ্যে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।” খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মালদা মেডিক্যালে (Malda Medical College) পাঠানো হয়েছে। এই ঘটনা প্রসঙ্গে জেলার অতিরিক্ত সুপার শাহ অমিত কুমার বলেন, “প্রাথমিক তদন্তে অনুমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ না হওয়ার কারণে আত্মহত্যা করেছেন। তবে ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।” যদিও সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে অনেকেই দাবি করেছেন তাঁকে নিয়ে নির্মম ‘মিম’ই জীবন অতিষ্ঠ করে দিয়েছিল তাঁর।

- Advertisement -
Latest news
Related news