Monday, May 20, 2024

MIdnapore TMC: পশ্চিম মেদিনীপুরে বিদ্রোহ শেষ করে রনে ভঙ্গ দিলেন তৃনমূল নেতা! স্ত্রীকে সরিয়ে দলীয় প্রার্থীরই হয়ে প্রচার

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: রনে ভঙ্গ দিলেন মেদিনীপুর শহরের তরুণ তুর্কি বিদ্রোহী নেতা নির্মাল্য চক্রবর্তী। প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরিয়ে নিলেন স্ত্রী সোনালীকে। মঙ্গলবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে নির্মাল্য চক্রবর্তী ঘোষণা করেন প্রথম বারের ঘোষিত প্রার্থী তালিকায় আমার স্ত্রীর নাম ছিল তাই আমরা প্রচারে নেমেছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয়বারের ঘোষণায় প্রার্থী তালিকা থেকে নাম বাদ গিয়েছে জানার পরই আমরা লড়াই থেকে সরে আসি। দলের তরফেও আমাকে বলা হয়েছে দলীয় প্রার্থীর সমর্থনে কাজ করার। আমি দলের নির্দেশ মেনেই চলব।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে
সেই দেওয়াল লিখন

যদিও তাঁর এই রনে ভঙ্গ দেওয়াকে দলের মধ্যে কোনঠাসা হয়ে যাওয়ার কারনই মনে করা হচ্ছে। কারন দ্বিতীয় প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হয়েছিল প্রথম তালিকা ঘোষণার ২ঘন্টা পরে। তারও ৮ ঘন্টা পরে সকাল বেলায় নির্মাল্য চক্রবর্তীর স্ত্রী সোনালীর নামে দেওয়াল লেখা শুরু করেছিল তাঁর অনুগামীরা। ক্ষুব্ধ নির্মাল্য অনুগামীরা জানিয়ে দিয়েছিল, ২ নম্বর ওয়ার্ড দাদার (নির্মাল্য) ওয়ার্ড। এখানে বৌদি লড়াই করবেনই। যদি শেষ অবধি দল টিকিট দেয় ভালো না হলে লড়াই হবে অন্য প্রতীকে। দরকার হলে নির্দল হয়ে লড়াই করে জয়ী হয়ে দলকেই সমর্থন জানানো হবে কিন্তু লড়াই থেকে পিছু হটার কোনও প্রশ্ন নেই।

কিন্তু শেষ অবধি ঝুঁকি নিতে সাহস পেলেননা নির্মাল্য । ঘটনা হচ্ছে নির্মাল্য সত্যি সত্যি এই ওয়ার্ডের দাবিদার ছিলেন। কারন এই ওয়ার্ডে তাঁর মা প্রয়াত দেবী চক্রবর্তী ও তিনি কাউন্সিলর ছিলেন। পরবর্তী কালে মেদিনীপুর বিধানসভা নির্বাচনেও বিধায়ক প্রার্থী দাবিদার হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু দলের মধ্যে তীব্র গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব এড়াতে টিম পিকের পরামর্শে কলকাতা থেকে উড়িয়ে আনা হয়েছিল জুন মালিয়াকে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ট নির্মাল্য এতে মারাত্মক বেদনা পেয়েছিলেন। টিম পিকের পক্ষে তাঁকে বা তাঁর স্ত্রীকে কাউন্সিলর পদপ্রার্থী করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়।

যদিও জুন মালিয়া অভিযোগ করে বসেন, নির্বাচনে তাঁর হয়ে পর্যাপ্ত প্রচার করেননি নির্মাল্য। জুন মালিয়া জয়ী হন এবং তাঁর অভিযোগ মেনে নেয় দল। দলে কোণঠাসা হয়ে পড়েন নির্মাল্য। রাশ চলে যায় জুন মালিয়ার হাতে। পুর প্রশাসক মন্ডলী থেকে সরে যেতে হয়। যদিও টিম পিকে কথা রাখে এবং নির্মাল্যর স্ত্রী সোনালীর নাম সুপারিশ করে। প্রথম তালিকায় সেই নাম বেরিয়েও যায়। কিন্তু তারপরই ফোন যায় মেদিনীপুর থেকে। বিষয়টি অবগত করানো হয় রাজ্য নেতৃত্বকে। বাদ পড়েন নির্মাল্যর স্ত্রী সোনালী। কিন্তু পরে তিনি বুঝতে পারেন এই বিদ্রোহের পর তৃনমূল থেকেই সরে যেতে হতে পারে। অবশেষে রনে ভঙ্গ অভিষেক ঘনিষ্ট এই নেতার। এবার দেওয়াল লেখা মোছার কাজ শুরু করার পালা।

- Advertisement -
Latest news
Related news