Monday, April 15, 2024

Paschim Medinipur: যেখানে মাওবাদীরা লালপতাকা ফেলে জোড়া ফুলের ঝান্ডা উড়িয়েছিল! সেই পীড়াকাটায় সভা সুশান্ত ঘোষের

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: ইতিহাসের সে এক আশ্চর্য ঘটনা! লাল ঝান্ডার দল লাল পতাকা খুলে দিয়ে তৃনমূলের পতাকা ওড়ায়! হ্যাঁ, ঠিক এমনটাই হয়েছিল পশ্চিম মেদিনীপুরের শালবনী থানা এলাকার পীড়াকাটায়। আকাশ বিকাশ আর কিষানজীর দল যারা কিনা নিজেদের লালঝান্ডার দল বলে তারাই ওই এলাকা থেকে লালঝান্ডা খুলে তৃনমূলের জোড়া ফুলের ঝান্ডা উড়িয়েছিল। এক সিপিএম নেতা জানান, সেবার ৯ ই আগস্ট লালগড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভা তার ঠিক আগেই এমন ঘটনার স্বাক্ষী হয়েছিল পীড়াকাটা। রবিবার সেই পীড়াকাটাতেই বিশাল এক জনসভা করলেন পশ্চিম মেদিনীপুর সিপিএম জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ।
এবার চোর জুয়াচোর দের বিরুদ্ধে জনরোষের চেহেরায় প্রত্যাঘাত করার লড়াই শুরু হয়েছে। সেই লড়াইতে প্রতি বুথে মানুষকে সামিল করার দায়িত্ব পালন বামপন্থীদেরই দায়িত্ব নিতে  হবে এমন আহ্বান জানিয়ে রাজ্যে আপাত মস্তক দূর্নীতিবাজ তৃণমূলকে চোখে চোখ রেখে যোগ্য জবাব দেওয়ার বার্তা দিলেন কৃষক নেতা সুশান্ত ঘোষ।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

সিপিএম জানিয়েছে এলাকা থেকে লাল ঝান্ডা নামিয়ে তৃনমূলের পতাকা তোলার জন্য শুভেন্দু অধিকারী ও কিষানজীর যৌথ কর্মসূচি অবশ্য সহজে সফল হয়নি। মোট  ৬২ জন সিপিএম কর্মী সমর্থক কে খুন করতে হয়েছিল ওই জোড়া বাহিনীকে। যার মধ্যে ১৬ টি পরিবার আজও তাঁদের প্রিয়জনের দেহ পায়নি। সভা শুরুর প্রাক্কালে সিপিএম তাঁদের ওই শহিদ পরিবারগুলির সদস্যদের শীত বস্ত্র দিয়ে সম্বর্ধনা জানায়। পাশাপাশি শীত বস্ত্র তুলে দেওয়া হয় হাতির আক্রমনে নিহত ৯ জনের পরিবারের হাতে।

এদিন এক মিছিলে বড় অংশের আদিবাসী নরনারীকেও সামিল হতে দেখা গেছে। স্থানীয় কৃষক সভার ডাকে “লুটের পঞ্চায়েত হঠাও, জনগণের পঞ্চায়েত বানাও ” শ্লোগান তুলে সুশান্ত ঘোষের  নেতৃত্বে হাঁটতে দেখা গেছে জনতাকে। মিছিল এসে সমাবেশ স্থলে পৌঁছালে শুরু হয় সমাবেশ
সুশান্ত ঘোষ সেই পুরানো রক্তক্ষয়ী দিন গুলো স্মরন করিয়ে দিয়ে বলেন সেদিন ছিল তৃনমূল আর মাওবাদী। দিনে মুখ দেখাদেখি বন্ধ আর রাতে যৌথ তাণ্ডব। এখন হচ্ছে তৃণমূল ও বিজেপি। দুটোই দলই লুঠেরা বাহিনীর দল। আঁতাত করেই ভাগ বাঁটরা করেই দুই শাষক দল একে অপরকে সাহায্য করেই দেশ ও রাজ্য চালাচ্ছে। পুকুর চুরি বললেও কম বলা হয়। প্রসাশনের এমন কোনো দপ্তর নেই যেখানে চুরি দূর্নীতি নেই। চোরেদের শাস্তির পদক্ষেপ না নিয়ে দিল্লির সরকার গরীব মানুষের একশ দিনের কাজে বরাদ্দ বন্ধ করে দিয়েছে।” সভায় ভক্তারাম পান, মেঘনাদ ভূঁইয়া, জগন্নাথ মাহাতো প্রমুখরা উপস্থিত ছিলেন।

- Advertisement -
Latest news
Related news