Sunday, April 14, 2024

Garbeta: আবাস যোজনায় দুর্নীতি, গ্রেফতার নির্মাণ সহায়ক! টাকার ভাগ নেওয়া প্রধান, সভাপতি গ্রেফতার নয় কেন? প্রশ্ন সুশান্ত ঘোষের

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: গড়বেতা, গোয়ালতোড়, কেশপুরে হাতে নাতে ধরা পড়েছে দুর্নীতি। বেনিয়মের অভিযোগ পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অন্যত্রও। দুর্নীতি আর বেনিয়মের জন্যই পশ্চিমবাংলায় ১০০দিনের কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। আশঙ্কা এবার না আবাস যোজনাও বন্ধ হয়ে যায়। কেন্দ্রীয় প্রকল্পের কাজ পরিদর্শন করতে জেলার একাধিক ব্লক পরিদর্শন করছেন কেন্দ্র থেকে আসা একটি প্রতিনিধি দল। তার মধ্যেই গড়বেতা থেকে গ্রেফতার করা হল একজন নির্মাণ সহায়ককে। মঙ্গলবার গ্রেফতার হওয়া ওই গ্রাম পঞ্চায়েত কর্মীর বিরুদ্ধে অভিযোগ লাখ লাখ টাকা তছরুপের। জানা গেছে গড়বেতা ১ ব্লকের বিডিও-র নির্দেশেই সন্ধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে কার্যালয় থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে আরাফত আলিকে। যদিও এই গ্রেফতারিকে আই-ওয়াশ বলছেন সিপিএমের পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ। তিনি বলছেন, টাকার ভাগ নেবে পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি, গ্রামপ ঞ্চায়েতের প্রধানরা আর বলির পাঁঠা হবে শুধুই সরকারি কর্মচারীরা?

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

উল্লেখ্য এই প্রথম কোনও সরকারি কর্মচারী পঞ্চায়েতের দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হলেন। আরাফত আলি খানের বিরুদ্ধে ২০১৮- “১৯ অর্থবর্ষে সন্ধিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে আবাস যোজনার অর্থ বন্টনে কারচুপির অভিযোগ উঠেছিল। মঙ্গলবার অফিসের কাজ সেরে সন্ধিপুর পঞ্চায়েত থেকে বেরোতেই গড়বেতা থানার সন্ধিপুর ফাঁড়ির পুলিশ আরাফতকে গ্রেফতার করে। বুধবার ধৃতকে আদালতে তোলা হবে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে। তাঁকে নিয়ে সন্ধিপুর পঞ্চায়েতের আবাস কেলেঙ্কারির ঘটনায় গ্রেফতার করা হল অভিযুক্ত ২ জনকে। এই ঘটনায় আগে গ্রেফতার হন অবনীশ চন্দ্র নামে গড়বেতা ১ পঞ্চায়েত সমিতির এক অস্থায়ী কর্মী। বোঝা যাচ্ছে যে পঞ্চায়েত সমিতির এই কর্মচারীর সঙ্গে যোগসাজস করেই গ্রামপঞ্চায়েতের নির্মাণ সহায়ক আরাফত আলি টাকা নয়ছয় করতেন। কারও আবাস যোজনার টাকা অনুমোদন হলে সেই টাকা নিজেদের আ্যকাউন্টে ঢুকিয়ে নিতেন এই অভিযুক্তরা। শুধু সন্ধিপুরেই ৪২ জনের টাকা সরানো হয়েছিল বলে অভিযোগ।

যদিও এই ঘটনাকে হিমশৈলর চূড়ামাত্র বলে মনে করছেন বিরোধীরা। তাঁদের দাবি শুধুমাত্র একটি গ্রাম পঞ্চায়েতে একটি কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা দেখা যাচ্ছে। এরকম আরও বহু গ্রামপঞ্চায়েত এবং বহু কেন্দ্রীয় প্রকল্পের টাকা চুরি হচ্ছে বাংলা জুড়ে। সিপিএম জেলা সম্পাদক সুশান্ত ঘোষ বলেন, ” এই সরকারের কোন স্তরে দুর্নীতি নেই বলুন তো? গোটা দেশ দেখতে পেয়েছে একজন মন্ত্রী কিভাবে টাকার পাহাড় তৈরি করেছিল। এটা তো শুধু শিক্ষা মন্ত্রক। এই ভাবে স্বাস্থ্য, পরিবহন ইত্যাদি প্রতিটি মন্ত্রকের একই অবস্থা। পঞ্চায়েতের বেলাতেও তাই। শুধু আবাস যোজনা নয় যতরকম যোজনা বা পরিকল্পনা আছে সমস্ত ক্ষেত্রেই চুরি হচ্ছে এবং তা হচ্ছে শীর্ষস্তরের নেতা, জনপ্রতিনিধিদের মদতেই। আর ধরা পড়লে বলির পাঁঠা করা হয় সরকারি কর্মীদের? কিন্তু পঞ্চায়েত স্তরে যাবতীয় প্রকল্পের মূল দায়িত্বে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতিরাই। তা’হলে তাঁরা কেন অভিযুক্ত হবেননা টাকা চুরির দায়ে?”

- Advertisement -
Latest news
Related news