Tuesday, June 25, 2024

Tragic Suicide: চোখের সামনেই প্রেমিকের বাইকে চড়ে চলে গেলেন স্ত্রী! লজ্জ্বায় শ্বশুরবাড়িতে আত্মহত্যা যুবকের

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: নিজের চোখের সামনে অন্য যুবকের বাইকে চড়ে স্ত্রী চলে যাওয়ার পরই গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করলেন যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমান জেলার কালনা থানায়। পুলিশ জানিয়েছে মৃত ব্যক্তির নাম সুদেব দে। ৩৯ বছরের সুদেব কর্মসূত্রে প্রবাসী ছিলেন। কালী পুজোর আগেই ফিরে আসেন বাড়িতে। সোমবার দুপুরে ঝগড়াঝাটি করে প্রেমিক যুবকের বাইকে চড়ে বাড়ি ছাড়েন তাঁর স্ত্রী। এরপরই ঘটে যায় ওই মর্মান্তিক ঘটনা।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে কালনা থানার  বাঘনাপাড়া খাসপুর এলাকায় সুদেবের বাড়ি। ১৮ বছর আগে সুদেবের বিয়ে হয়ে কালনার মোল্লাপাড়া এলাকায়। তাঁদের একটি কন্যা সন্তানও রয়েছে। চেন্নাইয়ের একটি বেসরকারি সংস্থায় কাজ করতেন সুদেব। আর সেই সূত্রে অধিকাংশ সময়ই বাড়ির বাইরে থাকতে হত। সেই সুযোগে প্রতিবেশী যুবকের সঙ্গে তার স্ত্রীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক গড়ে ওঠে। কয়েকদিন আগে স্ত্রী তার প্রেমিকের সঙ্গে ঘরও ছেড়ে চলেও যান। স্ত্রীর চলে যাওয়ার খবর পেয়েই বাড়ি ফিরে আসেন সুদেব।

শশুরবাড়িতে এসে স্ত্রীকে বুঝিয়ে ফিরিয়ে আনার জন্য শ্বশুরকে অনুরোধও করেন তিনি। শ্বশুর চেষ্টাও করেন। বাবার অনুরোধে মেয়ে এসে কয়েকদফা আলোচনাও করে সুদেবের সঙ্গে। যদিও নিজের জায়গা ছেড়ে সে স্বামীর সঙ্গে ঘর করতে রাজী হয়নি। সোমবারও সেই আলোচনা চলে। এরপর ফোন করে নিজের প্রেমিককে ডাকেন সুদেবের স্ত্রী। তাঁরই বাইকে চড়ে চলে যান। ঘটনার পর চুপচাপ হয়ে গেছিলেন সুদেব। রাতে শ্বশুরবাড়ির চিলেকোঠা থেকে গলায় ফাঁস লাগানো দেহ উদ্ধার হয় সুদেবের। এমনই অভিযোগ তার পরিবারের সদস্যদের।

মৃতের মেয়ে সুইটি হালদারের কথায়,“কালীপূজার আগে অন্য এক পুরুষের সঙ্গে মা চলে যান। খবর পেয়ে বাবা চেন্নাইয়ের কর্মস্থল থেকে ফিরে আসেন। মাকে ডেকে বারবার বোঝানো হলেও তিনি বাবাকে অপমান করতেন। বারবার বলতেন ওই ব্যক্তির সঙ্গেই থাকবেন।” তিনি আরও জানান, “মায়ের চাহিদা মতো বাবা পোশাকও কিনে আনেন। তারপরেও ওই ব্যক্তির সঙ্গে গাড়ি করে চলে গেলেন। এরপরেই বাবা মামারবাড়িতে চিলেকোঠায় আত্মঘাতী হন।”

মৃতের শ্বশুর অজয় দেবনাথও জামাইয়ের মৃত্যুর জন্য মেয়েকে দায়ী করে জানান, “মেয়ে অন্য একজনের সঙ্গে পালিয়ে যায়। জামাই আমাদের বাড়িতেই ছিল। মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছিল। এ ইরকম একটি ঘটনা ঘটে যাবে বুঝতে পারি।” যদিও মৃত ওই যুবকের কাছ থেকে একটি সুইসাইড নোট উদ্ধার হয়েছে। তাতে তিনি লিখে গেছেন, ‌‘তার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী নয়। লজ্জায় তিনি আত্মঘাতী হয়েছেন।’

- Advertisement -
Latest news
Related news