Sunday, April 14, 2024

Nandigram: নন্দীগ্রামে সভার আগেই অস্বস্তিতে তৃনমূল! চাকরির জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগে নেতাকে খুঁটিতে বাঁধল জনতা

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: রাত পোহালেই তৃনমূলের বড় সভা নন্দীগ্রামে। নন্দীগ্রামের সাউদখালি মনসা বাজার এসএসকে ময়দানে রাজ্যের তাবড় তাবড় নেতাদের পাশাপাশি থাকার কথা রাজ্যের এক ক্যাবিনেট মন্ত্রীরও। সূত্র মারফত খবর পাওয়া যাচ্ছে যে একগুচ্ছ স্থানীয় নেতা সহ বিজেপি থেকে কিছু কর্মীও ঘাসফুলের পতাকা হাতে তুলে নিতে চলেছেন ওই সভা থেকে। কিন্তু প্রেস্টিয়াজ সেই সভার আগে প্রেস্টিজ নিয়েই টানাটানি পড়ে গেল নন্দীগ্রাম তৃনমূলের। চাকরি এবং সরকারি প্রকল্পের সুযোগ পাইয়ে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা তোলার অভিযোগে বৃহস্পতিবার তৃনমূলের এক বুথ সভাপতিকে কয়েক ঘন্টা বিদ্যুতের খুঁটিতে বেঁধে রাখল জনতা। উত্তেজিত সেই জনতার মধ্যে কেউ কেউ আবার নিজেদের তৃনমূলের কর্মী বলেও দাবি করেছেন। পাশাপাশি ওই একই অভিযোগে আরও এক তৃনমূল নেতার বাড়ি ঘিরে রাখে জনতা। যদিও সেই তৃনমূল নেতা তার আগেই বাড়ি ছেড়ে পালান বলে জানা গেছে।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

ঘটনাটি ঘটেছে নন্দীগ্রাম ২ ব্লকের আমদাবাদ ২ গ্রাম পঞ্চায়েতের অঞ্চল ১৭৬ নম্বর রানিচক এলাকায়।
তৃণমূল কংগ্রেসের রানিচক বুথের সভাপতি সঞ্জু গুড়িয়াকে স্থানীয় বেশ কিছু মানুষ ধরে তাকে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে দীর্ঘক্ষণ। ওই মানুষেরা দাবি করেছেন, সঞ্জু কাউকে চাকরি দেওয়ার নাম করে, কাউকে আবার সরকারের বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় এনে দেওয়ার নাম করে লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ করেছে।

অভিজিৎ গোল আই সি ডি এস ১ লক্ষ টাকা, বুদ্ধদেব গোল ও শিবনাথ জানাকে রেশন ডিলার পাইয়ে দেওয়ার জন্য ১ লক্ষ ৮০ হাজার, সুরজিৎ করনকে জল প্রকল্পে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার জন্য ২ লাখ, অনিতা দাসকেও ওই একই প্রকল্পে চাকরি দেওয়ার জন্য ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা নিয়েছেন বলে ক্যামেরার সামনে নিজেই জানান তৃনমূলের ওই বুথ সভাপতি। তিনি আরও জানান দলের পক্ষ থেকেই তিনি ছাড়াও এই টাকা নিয়েছেন। বেশ কয়েকজন দলীয় নেতার নামও বলেন ওই বুথ সভাপতি। এলাকার যুবক প্রণব করন জানান তিনি নিজে তৃনমূলের কর্মী। তাস্বত্ত্বেও তাঁর স্ত্রীকে চাকরি করে দেওয়ার জন্য ২ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা নিয়েছেন সঞ্জু গুড়িয়া নামে ওই বুথ সভাপতি। বুথ সভাপতি ক্যামেরার সামনে সেই অভিযোগও স্বীকার করে নেন।

অন্যদিকে গ্রামবাসীদের চড়াও হতে দেখা যায় সুখেন্দু করন ওরফে বটুর বাড়িতে। বটু আবার আমদাবাদ ২ অঞ্চলের তৃণমুল কমিটির ক্যাশিয়ার বলে জানা গেছে। জনতার হাতে পাকড়াও বুথ সভাপতি সঞ্জু গুড়িয়া বলেন, যাঁরা যাঁরা চাকরি দেওয়া কিংবা সরকারি প্রকল্প অনুমোদন করিয়ে দেওয়ার নাম করে টাকা নিয়েছে তার মধ্যে বটুও আছে। জনতা বটুর ঘর ঘেরাও করলেও অবশ্য বটু তার আগেই লুকিয়ে পড়তে অথবা পালাতে সমর্থ্য হয়। পরে নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ এসে তৃনমূল বুথ সভাপতিকে উদ্ধার করে। যদিও পুলিশের কাছে কোনও অভিযোগ দায়ের হয়নি।

- Advertisement -
Latest news
Related news