Monday, May 20, 2024

Left Front: অনেক হল, বামে চলো! শ্লোগান তুলে ৭ পৌরসভাতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরে এগিয়ে রইল বামফ্রন্ট

CPM's Kharagpur South Area Committee Secretary Amitabh Das said, 'People have seen everything. Take the case of Kharagpur city. The left-wing municipality began providing tap water to 95 percent of the city's citizens. The people of the city are still getting drinking water through that service. The second drinking water project was started during the TMC period. Hundreds of crores of rupees of pipes are under the ground and money is in the pockets of the leaders. People don't get black water. ' Das further said, “In Kharagpur municipality, which is run by the TMC, ward after ward is submerged in water whenever it rains. Somewhere there is water for 3 days, somewhere more than 3 months. Because all the wetlands, Nyanjuli have been sold. Look at the wards where there are left councilors, look at the government houses, the poor people have got toilets and look at the wards of the ruling party, the poor people are the most deprived. We call on the people to judge this equivalent. I have appealed to the left to win in all the wards this time. '

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: ‘অনেক হল, বামে চলো, ঘুঘুর বাসা ভেঙে ফেলো’ শ্লোগান তুলে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৭পৌরসভা নির্বাচনের জন্য প্রথম দফায় মনোনয়ন জমা দিয়ে দিল বামফ্রন্ট। আগামী ২০দিনের মাথায় ২৭শে ফেব্রুয়ারি পুরভোট। প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করে কর্মী বিদ্রোহে রাজ্য জুড়ে খাবি খাচ্ছে শাসকদল আর অন্যদিকে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার পরই কর্মী বিদ্রোহ ফেটে পড়বে এমনই আশঙ্কায় রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। তারই মধ্যে নিজেদের ঘর গুছিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার খড়গপুর, মেদিনীপুর, ঘাটাল, ক্ষীরপাই, চন্দ্রকোনায়, খড়ার, রামজীবনপুর পৌরসভা নির্বাচনের জন্য মনোনয়ন জমা দিলেন বামপ্রার্থীরা। রীতিমতো বর্নাঢ্য মিছিল সহকারে জনস্রোত ঘটিয়ে প্রতিটি জায়গায় মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়েছে সোমবার।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

জেলার বাম নেতারা জানিয়েছেন, শুধু নমিনেশন ফাইল করা নয়, জেলার ৭টি পুরসভার দেওয়াল লিখনের ৯০ শতাংশই শেষ করে ফেলা হয়েছে। চলছে পোস্টার ও ব্যানার ঝোলানোর কাজও। শুরু হয়ে গেছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিবিড় প্রচার ও প্রার্থী পরিচিতি। কিন্তু এই ধরনের শ্লোগান কেন? জবাব দিলেন সিপিএমের খড়গপুর দক্ষিণ এরিয়া কমিটির সম্পাদক অমিতাভ দাস। বললেন, ‘ মানুষের সবটাই দেখা হয়ে গেছে মানুষের। খড়গপুর শহরের কথাই ধরুন। শহরের নাগরিকদের ৯৫ শতাংশ মানুষকে নলবাহিত পানীয় জলের সুবিধা দেওয়া শুরু করেছিল বাম পরিচালিত পৌরসভা। সেই পরিষেবাতেই এখনও পানীয়জল পাচ্ছেন শহরের মানুষ। তৃনমূলের আমলে দ্বিতীয় পানীয় জল প্রকল্প শুরু হয়েছিল। কয়েকশ কোটি টাকার পাইপ মাটির তলায় আর টাকা নেতাদের পকেটে। আর মানুষ কালো জল পায়।’

দাস বলেন, ‘ তৃনমূল পরিচালিত খড়গপুর পৌরসভায় এখন বৃষ্টি হলেই জলে ডুবে যায় ওয়ার্ডের পর ওয়ার্ড। কোথাও ৩দিন জল থাকে তো কোথাও ৩মাসেরও বেশি। কারন সব জলাভূমি, নয়ানজুলি বেচা হয়ে গেছে। যে সমস্ত ওয়ার্ডে বাম কাউন্সিলর আছে খোঁজ নিয়ে দেখুন সরকারি বাড়ি, শৌচালয় পেয়েছেন গরিব মানুষ আর শাসকদলের ওয়ার্ডগুলি দেখুন গরিব মানুষই সবচেয়ে বঞ্চিত। আমরা এই তুল্যমূল্য বিচার করার আহ্বান জানিয়েছি মানুষের কাছে। আবেদন জানিয়েছি, এবার সমস্ত ওয়ার্ডেই জয়ী করুন বামেদের।’

এদিন নজরকাড়া লালঝান্ডার মিছিল দেখেছে খড়গপুর শহর। তারুণ্যের ভিড়ে উপচে পড়া মিছিল থেকে আওয়াজ উঠেছে, কাটমানি খোর, তোলাবাজ তৃণমূল কে পরাস্ত করো এবং তৃণমূলের দোষর বিভাজন সৃষ্টি কারী দেশের সম্পদ বিক্রির ও কর্পোরেটের দালাল বিজেপিকে জনবিচ্ছিন্ন করো।উন্নয়নের বরাদ্দ অর্থতে কাটমানি, গৃহ আবাসের বরাদ্দতে গরীব মানুষকে বঞ্চিত করে সজন পোষন সহ অগ্রিম কাটমানি নিয়ে পাইয়ে দেওয়ার রাজনীতি রুখতে বাম গণতান্ত্রিক ধর্মনিরপেক্ষ শক্তির প্রার্থীদের জয়ী করুন এবং সার্বিক উন্নয়নের সহযোগী সাথী হউন এমন বার্তা নিয়ে লাল ঝান্ডার মিছিলে সমবেত হলেন সাধারণ মানুষ। এদিন সিপিএমের তরফে নমিনেশন জমা দেওয়া হয়। আগামীকাল দ্বিতীয় দফায় নমিনেশন জমা দিতে চলেছে সিপিআই।

- Advertisement -
Latest news
Related news