Saturday, April 20, 2024

Kharagpur Protest: করোনা কমতেই ‘চাকরি নট’, মেলেনি ৫ মাসের বকেয়াও! পুজোর মুখে বিনা নোটিসে ছাঁটাই, খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে বিক্ষোভ ছাঁটাই কর্মীদের

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: যখন খড়গপুর (Kharagpur) জুড়ে করোনার (Covid-19) মারন তান্ডব, প্রতিদিনই মৃত্যুর খবর আসছে বিভিন্ন এলাকা থেকে তখনই নিয়োগ করা হয়েছিল এঁদের। খতরনাক জীবাণুর সঙ্গে লড়াই করে করোনা আক্রান্তদের জীবন বাঁচানোর লড়াইয়ে সামিল করা হয়েছিল এঁদের। খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে (Kharagpur Subdivisional Hospital) করোনা রোগীদের জন্য সেফ হোমে (Safe Home) কর্মরত ১৮ জনকে বিনা নোটিশে ছাঁটাই করে ফেলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, মেটানো হয়নি পাঁচ মাসের বকেয়া বেতন। এমনই অভিযোগ তুলে হাসপাতাল চত্বরেই বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ছাঁটাই হওয়া ওই সমস্ত কর্মীরা।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

কর্মীদের দাবি, সামনেই পুজো। বাঙালির বড় উৎসব। গোটা পরিবার চেয়ে আছে তাঁদের দিকে। অথচ যে এজেন্সির মাধ্যমে তাঁদের কাজ করানো হচ্ছিল এজেন্সির এখন তাঁদের বলছে আর কাজ করতে হবে না। গত পাঁচ মাসের বেতনও মেটায়নি ওই এজেন্সি। এখন তা’হলে কী হবে? বৃহস্পতিবার এই সমস্ত দাবি নিয়ে ওই অস্থায়ী কর্মীরা বৃহস্পতিবার এজেন্সির মালিক এবং হাসপাতালে সুপারকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখালেন। তাঁদের প্রশ্ন করোনার কঠিন পরিস্থিতিতে তাঁরা জীবনে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করেছেন। কিন্তু আজ কোন রকম নোটিশ ছাড়াই হঠাৎ করে তাদেরকে ছাঁটাই করে কেন দেওয়া হল? খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালের হাসপাতাল সুপার ডাক্তার উত্তম মান্ডির কার্যালয় সামনে বিক্ষোভ দেখান। সুপার অফিস থেকে বেরিয়ে এলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান এই অস্থায়ী কর্মীরা।

সুপার উত্তম মান্ডি বলেন এগুলি হাসপাতালের কোন ব্যাপার নয়। এদের নিয়োগ করেছে এজেন্সি। তারাই ঠিক করবে তারা কি করবে আর কিনা করবে। আমরা এ ব্যাপারে কিছু বলতে পারব না।
হাসপাতালে রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান হেমা চৌবে জানিয়েছেন এই ১৮ জন অস্থায়ী কর্মী করোনা সময়কালে কাজ করতো। এদের অবশ্য নিয়োগ করেছে এজেন্সি। এজেন্সিকে আমি অনুরোধ করব ৫ মাসের বকেয়া বেতন দ্রুত মিটিয়ে দেওয়ার জন্য। আর নতুন সি এম ও এইচ যোগদান করার পরে তার সাথে হাসপাতালে সুপার কথা বলে যদি এদেরকে আবার নিয়োগ করা যায় সে ব্যাপারে আমি কথা বলব।

খড়গপুরের আমরা বামপন্থী সংগঠনের সম্পাদক অনিল দাস বলেছেন, ” এই হচ্ছে সরকারের চরিত্র, কাজের সময় কাজ করাবে আর কাজ ফুরালেই ছুঁড়ে ফেলে দেবে। এই ১৮ জনকে কাজ করানো হয়েছে অতিমারীর সময়ে। সেটা তো জানাই ছিল যে অতিমারী একসময় সরে যাবে। তো এখন এঁদের হাসপাতালের অন্য কোনও কাজে লাগানো যেতেই পারে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কোনোভাবেই এর দায় এড়াতে পারে না। তাদেরই পরিকল্পনা করতে হবে কী ভাবে এঁদের কাজে লাগানো যায়। মাথার ওপর পুজা, মানুষগুলো যাবেন কোথায়।”

- Advertisement -
Latest news
Related news