Saturday, April 20, 2024

IIT Kharagpur: মর্গের সামনেই ভেঙে পড়লেন মৃত ছাত্রের মা! ইনসাফ চাই, আইআইটি খড়গপুর কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফেটে পড়লেন বাবা

The dead student's mother collapsed in front of the morgue! We want 'Insaf' (Justice), the father burst into anger against the IIT Kharagpur authorities "My son did not go to lunch or dinner for two days, but the authorities did not find out where the boy went?" "Didn't anyone know that my son went from one hostel to another?" Faizon Ahmed, a third year student of Mechanical Engineering Department of IIT Kharagpur, whos decomposed body was recovered from Lala Lajpat Roy student accommodation on Friday morning, raised one question after another against the authorities of IIT-Kharagpur when he came to pick up his son's dead body in the premises of Medinipur Medical College Hospital. Father Salim Ahmad. After that, he appealed to the Chief Minister of the state, Mamata Banerjee, and said, "I am seeking justice from Mamata Didi, a father who has lost a son." Salim said, "I called my son last Wednesday but he didn't pick up the phone. I thought he was busy with his studies. I called him several times on Thursday. This time I got switched off. We called from IIT around 10.45 on Friday. To hurry up. I was not at home then. My wife informed me about this when I returned home. I called the authorities but they repeatedly told me that they will tell me what actually happened after I reach the campus. The phone was hung up repeatedly."

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: “দু’দিন আমার ছেলে লাঞ্চ কিংবা ডিনার করতে যায়নি অথচ হল কর্তৃপক্ষ খোঁজ নিলনা ছেলেটা কোথায় গেছে?” “আমার ছেলে যে এক হোস্টেল থেকে অন্য হোস্টেলে গিয়েছে কেউ জনলনা?” নিজের ছেলের মৃতদেহ নিতে এসে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের প্রাঙ্গনে এভাবেই আইআইটি খড়গপুর (IIT-Kharagpur) কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে একের পর এক প্রশ্ন তুললেন শুক্রবার সকালে লালা লাজপত রায় ছাত্র আবাসন থেকে উদ্ধার হওয়া মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ( Mechanical Engineering Department of IIT Kharagpur) থার্ড ইয়ারের ছাত্র ফায়জন আহমদের বাবা সালিম আহমদ। এরপরই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতি আবেদন জানিয়ে তিনি বলেন, ” আমি একজন পুত্র হারা বাবা মমতা দিদির কাছে ইনসাফ চাইছি।”

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

সালিম জানান, ” গত বুধবার আমার ছেলেকে ফোন করেছিলাম কিন্তু ফোন ধরেনি। আমি ভেবেছিলাম ছেলে ব্যস্ত রয়েছে পড়াশুনা নিয়ে। বৃহস্পতিবার ফের কয়েক দফায় ফোন করি ছেলেকে। এবার সুইচ অফ পাই। শুক্রবার বেলা ১০.৪৫ নাগাদ আইআইটি থেকে ফোন করে জানানো ছেলের এরকম অবস্থা আমরা যেন দ্রুত চলে আসি। তখন আমি ঘরে ছিলাম না। বাড়ি ফিরতেই আমার স্ত্রী আমাকে বিষয়টি জানান। আমি এবার কর্তৃপক্ষকে ফোন করি কিন্তু তাঁরা বারবার খালি আমাকে বলেন, আপনি আসলে কথা হবে। এই বলে বারবার ফোন কেটে দেওয়া হয়েছে।”

উল্লেখ্য শুক্রবার বেলায় লালা লাজপত রায় ছাত্রাবাসের একটি ঘর থেকে উদ্ধার হয় ফয়জানের পচন ধরা দেহ। দরজা ভেতর ভেজানো ছিল বলেই পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান এটা আত্মহত্যার ঘটনা নয়। কোনও দুর্ঘটনা, অসুস্থতা বা অন্য কারনে মৃত্যু হয়েছে ফয়জানের। তবে কী কারনে মৃত্যু তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই জানা যাবে। ঘটনার গুরুত্ব উপলব্ধি করে গতকালই পুলিশের তরফে মৃতদেহ খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালের পরিবর্তে মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যাওয়া হয় যাতে একজন ফরনেসিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দ্বারা ময়নাতদন্ত সম্পন্ন করা যায়।

এদিকে আইআইটি খড়গপুরের তরফে গাড়ি পাঠিয়ে ফয়জনের বাবা মা ও আত্মীয়দের কলকাতা বিমানবন্দর থেকে আনার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁরা আসামের তিনসুকিয়া থেকে আজই এসে পৌঁছান। আইআইটি কর্তৃপক্ষর তরফে বলা হয়েছে গোটা বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ। যা বলার পুলিশই বলবে। এদিন সন্ধ্যা অবধি থানায় কোনও অভিযোগ দায়ের করেনি ফয়জানের পরিবার।

- Advertisement -
Latest news
Related news