Saturday, May 25, 2024

Suvendu Adhikari: শীর্ষ আদালতেও খারিজ শুভেন্দুকে গ্রেফতাররের আবেদন! মানতে হবে হাইকোর্টের রায়কেই

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: শেষ এবং চূড়ান্ত চেষ্টাও বাতিল হয়ে গেল দেশের শীর্ষ আদালত বা সুপ্রিম কোর্টেও। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশ বহাল রেখেই শীর্ষ আদালত জানিয়ে দিল গ্রেফতার করা যাবেনা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে (Suvendu Adhikari)।সোমবারই রাজ্যের কাছে এই চরম ধাক্কা এসেছে। আগেই এই রায়ই দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট (Kolkata High Court) । গত বছর ১৩ ডিসেম্বর শুভেন্দুকে নিয়ে দেওয়া রায়ে সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রেখেছিল। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে ফের শীর্ষ আদালতে আবেদন করে রাজ্য। সোমবার বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় এবং এএস বোপান্নার ডিভিশন বেঞ্চ রাজ্যের সেই আবেদন খারিজ করে দিয়েছে।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

উল্লেখ্য তৃনমূল কংগ্রেস (Trinamul Congress )ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদান এবং নির্বাচন পরবর্তীকালে শুভেন্দুর বিরুদ্ধে রাজ্যের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা করা হয় রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে। মামলা দায়ের হয় মানিকতলা, কাঁথি, তমলুক, পাঁশকুড়া-সহ কয়েকটি থানায়। যার মধ্যে ছিলশুভেন্দুর দেহরক্ষীর রহস্যমৃত্যু, তমলুকের পুলিশ সুপারকে হুমকি, চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার মত মামলাও। মোট পাঁচটি মামলার মধ্যে দু’টি মামলা খারিজ করে দেয় আদালত। বাকি ৩টি মামলা চালানোর অনুমতি দিলেও হাইকোর্ট জানিয়ে দিয়েছিল, মামলা যেমন চলার চলবে কিন্তু গ্রেফতার করা যাবেনা বিরোধী দলনেতাকে। পাশাপাশি রাজ্যকে হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় যে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন কোনও মামলা দায়ের হলে তা শুভেন্দু অধিকারীকে জানাতে হবে।

আদালতে শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছিলেন, প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়েই তাঁর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা দায়ের করছে রাজ্য সরকার। মামলা দায়ের করা হচ্ছে বহুদিন আগের ঘটনার। রাজ্যের যততত্ৰ মামলা দায়ের করা হচ্ছে তাঁকে হেনস্থা করার জন্য। সেই শুনানির পরই দুটি মামলা অহেতুক বলে খারিজ করার পাশাপাশি হাইকোর্ট শুভেন্দুকে গ্রেফতার না করার রক্ষাকবচ দেন।

সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করেই শীর্ষ আদালতে যায় রাজ্য সরকার। তবে সেই স্পেশাল লিভ পিটিশনের ভিত্তিতে হাইকোর্টের নির্দেশই বহাল রাখে সুপ্রিম কোর্ট। এর পর রাজ্য শীর্ষ আদালতে লেটার পেটেন্ট আপিল করে। রাজ্যের আবেদন খারিজ করে বিচারপতিরা জানিয়ে দিয়েছেন, এই মামলায় গত বছর ১৩ ডিসেম্বর শীর্ষ আদালত যে নির্দেশ দিয়েছিল, তা সব পক্ষকেই মানতে হবে। তবে দ্রুত শুনানির জন্য রাজ্য উচ্চ আদালতে হলফনামা জমা দিতে পারে বলেও জানিয়েছেন তাঁরা। বলা বাহুল্য এই রায়ের ফলে বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে গেলেন বিরোধী দলনেতা। আপাততঃ ওই ৩টি মামলার তদারকি করা ছাড়া সরকারের আর অন্য কোনও পথ থাকলনা।

- Advertisement -
Latest news
Related news