Sunday, April 14, 2024

West Midnapur: হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ রোগীর ঝুলন্ত দেহ মিলল ৫০০মিটার দুরেই! চাঞ্চল্য ডেবরায়

- Advertisement -spot_imgspot_img

শশাঙ্ক প্রধান: পশ্চিম মেদিনীপুরের ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল থেকে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া এক রোগীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধারকে ঘিরে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে এলাকায়। কী ভাবে ওই রোগী হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে গেলেন আর কেনই বা তাঁর দেহ ওই অবস্থায় উদ্ধার হল তাই নিয়ে ধন্দে সাধারণ মানুষ। প্রশ্ন উঠেছে হাসপাতালের নিরাপত্তা নিয়েও। জানা গেছে ডেবরা থানার অন্তর্গত জালিমান্দা গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন খামরা গ্রামের ওই ব্যক্তি গত বুধবার জ্বর ,পেট ব্যাথা ও অন্যান্য কিছু উপসর্গ নিয়ে ডেবরা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি হয়। ওই ব্যক্তির বাড়ির লোকেরা জানিয়েছে বৃহস্পতিবার থেকে খোঁজ মিলেছিলনা তাঁর। এরপর রবিবার রাতে হাসপাতাল থেকে ৫০০মিটার দুরে একটি ঝোপের মধ্য থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ পাওয়া গেছে। ব্যক্তির হাতে তখনও স্যালাইন চ্যানেল দেখতে পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে ডেবরা থানার পুলিশ মৃতদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ওই যুবকের নাম চন্দ্রকান্ত সিং। ৩০বছরের চন্দ্রকান্ত জ্বর ও পেটে ব্যথা নিয়ে গত বুধবার ডেবরা হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি হয়েছিল। বৃহস্পতিবার থেকে বাড়ির লোকেরা তাঁর খোঁজ পাচ্ছিলনা। বৃহস্পতিবার রাত থেকে ওই যুবকের খোঁজ না মেলায়  হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি রোগীর পরিজনদের জানান। পুলিশের কাছেও নিখোঁজ ডায়েরি করা হয়।

তবে রবিবার সন্ধে পর্যন্ত চন্দ্রকান্তের কোনও খোঁজ পাওয়া যায়নি। পরে রাতের হাসপাতালের কাছে জঙ্গলের মধ্যে এক ব্যক্তির ঝুলন্ত দেহ পাওয়া গেছে জানার পরই দেহ শনাক্ত করেন পরিজনরা। তাঁরাই জানান, নিখোঁজ চন্দ্রকান্তেরই দেহ এটি। এই ঘটনায় বড়সড় প্রশ্নচিহ্নের মুখে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তা। কীভাবে সরকারি হাসপাতালের নিরাপত্তার বেড়াজাল পেরিয়ে রোগী নিখোঁজ হয়ে গেল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।

মাত্র কিছুদিন আগেই গত ৮ আগস্ট ডেবরা সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালের তিন তলার ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এক রোগীর মা। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ উদ্ধার করে ওই মহিলাকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালেই ভর্তি করেন। পরের দিনই মৃত্যু হয় মহিলার। মানসিক ভারসাম্যহীন বলেই ওই মহিলা হাসপাতালের ছাদ থেকে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছেন বলেই দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের।

সে সময়ও প্রশ্ন উঠেছিল কীভাবে সকলের অলক্ষ্যে ওই মহিলা ছাদে উঠে পড়লেন?  সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের রোগী নিখোঁজ এবং তার তিনদিনের মধ্যে তাঁর দেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবে হইচই শুরু হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এই ক’দিন যুবক ছিলেন কোথায়? এটা কি আত্মহত্যা নাকি অন্য কোনও রহস্য রয়েছে? ঘটনার তদন্তে নেমেছে পুলিশ।

- Advertisement -
Latest news
Related news