Monday, May 20, 2024

NCISM: আয়ুর্বেদ কলেজে অন পেপার অধ্যাপক? ২৫লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে বলে সতর্ক করল NCISM

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: কাগজে কলমে অধ্যাপক আছে অথচ বাস্তবে অধ্যাপক নেই এমন কিছু কলেজের সন্ধান পেয়েছে ন্যাশনাল কমিশন ফর ইন্ডিয়ান সিস্টেম অফ মেডিসিন বা NCISM আর তারপরই এই বলে ওই সমস্ত কলেজকে সতর্ক করা হয়েছে যে এমন ঘটনা নজরে আসলে ২৫লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে, কেড়ে নেওয়া হতে পারে ওই কলেজের অনুমোদনও। সম্প্রতি ভারত সরকারের আয়ুস মন্ত্রকের অধীন এই সংস্থা NCISM এমনই নির্দেশিকা জারি করেছে।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

ওই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে এই আর্থিক জরিমানা দিতে হবে অধ্যাপককের অভাব পিছু। অর্থাৎ একটি কলেজে যে ক’জন অধ্যাপককে কাগজে কলমে দেখানো হয়েছে তার প্রতিজন পিছু ২৫লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে। এছাড়াও ওই কলেজের ভর্তি প্রক্রিয়া বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে, অনুমোদন বাতিল করাও হতে পারে বলে জানিয়েছে NCISM.

১লা সেপ্টেম্বর আয়ুর্বেদ, ইউনানি, সিদ্ধা এবং সোয়া-রিপ্পা কলেজ গুলির প্রিন্সিপাল, ডিন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হুঁশিয়ারি দিতে গিয়ে NCISM সভাপতি ডঃ রঘুরাম ভট্ট বলেছেন, উল্লেখিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি যদি নূন্যতম মানদণ্ড রাখতে ব্যর্থ হয় তবে ২০২০ সালের NCISM আইন মোতাবেক প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে এই ধরনের শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একটি সূত্র জানাচ্ছে দেশ জুড়ে অজস্র বেসরকারি আয়ুর্বেদ, ইউনানি, সিদ্ধা ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে যারা NCISM য়ের অনুমোদন পাওয়ার জন্য যে পরিকাঠামো ও অধ্যাপকের সংখ্যা দেখাচ্ছে বাস্তবে তা নেই বলেই দেখা যাচ্ছে। বেশ কয়েকটি কলেজ থেকে এরকম খবর আসার পরই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে NCISM।

উল্লেখ্য আয়ুস মন্ত্রকের পক্ষ থেকেও এর আগে এই বার্তা বারবার পাঠানোর পরও হুঁশ ফেরেনি কলেজ গুলির। বর্তমান ২০২০-২০২১ পাঠক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রেই এই একই বিষয় লক্ষ্য করা গেছে বলে বিরক্তি প্রকাশ করেছে NCISM. কলেজগুলির গুণমান ও রেটিং করতে গিয়ে NCISM য়ের পর্যবেক্ষণ যে, কিছু কলেজ নিয়মিত অধ্যাপক না রেখে সাময়িক অধ্যাপক বহাল করেছে বলে দেখাচ্ছে বাস্তবে সেই অধ্যাপকরাও কলেজ করছেননা। কমিশনের বক্তব্য নিয়মিত অধ্যাপক রাখার ব্যাপারে কলেজগুলো গুরুত্ব দিক অথবা তারা কঠোর হবে। গত ৭ই জুলাই NCISM তৃতীয় সভায় নিম্নলিখিত সিদ্ধান্ত গুলি নিয়েছে।

প্রথমতঃ যতজন অধ্যাপক কাগজ কলমে রয়েছে সেরকম প্রত্যেকে পদ পিছু ২৫লক্ষ টাকা জরিমানা দিতে হবে। দ্বিতীয়তঃ যদি কোনও প্রতিষ্ঠান এই জরিমানা না দেয় তবে ওই সেশন বাতিল করা হবে। তৃতীয়তঃ যদি শুরুতেই এরকম কোনও অধ্যাপকের খোঁজ মেলে যে তিনি কাগজে কলমে রয়েছে কিন্তু তাঁর উপস্থিতি নেই তবে ওই সেশনের জন্য তাঁকে বাতিল করা হবে। চতুর্থতঃ যদি সেশনের মাঝে এরকম অধ্যাপকের সন্ধান পাওয়া যায় এবং প্রতিষ্ঠান জরিমানা না দেয় তবে ওই প্রতিষ্ঠানের পরবর্তী শিক্ষাবর্ষটির অনুমোদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হবে। NCISM পরিস্কার জানিয়ে দিয়েছে গুনমানের ব্যাপারে কোনও আপোষ করবেনা তারা।

- Advertisement -
Latest news
Related news