Sunday, July 21, 2024

Kharagpur: পশ্চিম মেদিনীপুরে চোলাই এফেক্ট! মাকে বাঁচাতে গিয়ে মদ্যপ বাবার মারে মৃত ছেলে, বউমার অভিযোগে ধৃত শ্বশুর

It is true that the sale of liquor is becoming record after record in the state but besides that, one family after another is being destroyed from village to town without anyone noticing. As the unrest and poverty in the world has become permanent, the domestic violence against women is also increasing. A son died while trying to save his mother from such torture. Police have arrested a 50-year-old murderer druken father on the basis of his daughter-in-law's allegations in the Kharagpur rural area of ​​West Midnapore. The incident has caused a stir in the area. Police said the 23-year-old had a 6-month-old daughter. Police have filed a case under section 302 against the father. The deceased was identified as Laxmikant Naik of Krishnapur adjacent to Tentulmuri of Kharagpur Rural Police Station. The killer and arrested father's name is Arjun Naik.

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: মদ বিক্রীতে রাজ্যে রেকর্ডের পর রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে ঠিকই কিন্তু তারই পাশাপাশি গ্রাম থেকে শহর একের পর এক সংসার উজাড় হয়ে যাচ্ছে সবার অলক্ষ্যে। সংসারে সংসারে অশান্তি আর দারিদ্র্য যেমন চিরস্থায়ী হয়ে গেড়ে বসেছে তেমনই বাড়ছে মহিলাদের ওপর গার্হস্থ্য নির্যাতন। সেরকমই এক নির্যাতন থেকে মা কে বাঁচাতে গিয়ে মৃত্যু হল ছেলের। পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়গপুর গ্রামীণ এলাকার ঘটনায় পুত্রবধূর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে ৫০ বছর বয়সী খুনি মদ্যপ বাবাকে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়। পুলিশ জানিয়েছে আনুমানিক ২৩ বছর বয়সী ওই যুবকের একটি ৬ মাসের কন্যা সন্তান রয়েছে। বাবার বিরুদ্ধে ৩০২ ধারায় খুনের মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মৃত যুবকের নাম লক্ষীকান্ত নায়েক। খড়গপুর গ্রামীণ থানার তেঁতুলমুড়ি সংলগ্ন কৃষ্ণপুরের ঘটনা। ঘাতক ও গ্রেফতার হওয়া বাবার নাম অর্জুন নায়েক।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে গত শুক্রবার দুপুরে পরিবারের একটি ছাগল খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিলনা যা নিয়ে অর্জুন নায়েক ও তার স্ত্রীর মধ্যে বচসা শুরু হয়। এক সময় অর্জুন তার স্ত্রীকে মারধর করতে থাকেন। ওই সময় ঘরের মধ্যে সিডি বাজিয়ে গান শুনছিল লক্ষীকান্ত। মাকে মার খেতে দেখে সে ছুটে যায় মা কে বাঁচাতে। সে যখন মাকে টেনে নিয়ে অন্যদিকে চলে যাচ্ছিল সেই সময় অর্জুন বঁটির কাঠের অংশ দিয়ে ছেলের মাথায় আঘাত করে। আঘাতটি লাগে ঘাড়ে। সঙ্গে সঙ্গেই সেখানে লুটিয়ে পড়ে লক্ষীকান্ত। খবর পেয়ে পাড়া প্রতিবেশীরা অর্জুনকে মেদিনীপুরের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করে। কিন্তু অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি করা হয়। শনিবার তার মৃত্যু হয়।

এদিকে এই মারধরের ঘটনা প্রথমে চেপে গিয়েছিল পরিবার। ঘটনার সময় লক্ষীকান্তের স্ত্রী নিজের ৬ মাসের মেয়েকে নিয়ে বাপের বাড়িতে ছিল। সেও জানতে পারেনি বিষয়টা। স্বামী অসুস্থ হওয়ার খবর পেয়ে সে ছুটে আসে। এখানে এসে কানাঘুঁসো জানতে পারে স্বামীকে তার শ্বশুরই মেরেছে বলে। শনিবার যখন তার শ্বশুরবাড়ির লোকেরা চুপচাপ স্বামীকে দাহ করার উদ্যোগ নিয়েছে দেখে রুখে দাঁড়ায় গৃহবধূ। মৃতদেহ শশ্মানে নিয়ে যেতে বাধা দেয় সে। প্রতিবেশীদের মারফৎ সেই খবর পেয়ে ছুটে যায় খড়গপুর গ্রামীন থানার পুলিশ। শশ্মানের বদলে দেহ নিয়ে আসা হয় ময়নাতদন্তের জন্য। তখনই পুলিশ তুলে আনে অর্জুনকে।

স্থানীয় কিছু বাসিন্দা অভিযোগ করেছেন এই সমস্ত কিছুর কারনই হচ্ছে চোলাই মদের রমরমা কারবার। এই এলাকায় বেশির ভাগ পুরুষই মদে আসক্ত। এমনকি নাবালকরাও মদের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে। সারাদিনের উপার্জনের সিংহভাগই মদের পেছনে চলে যাচ্ছে। সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছেন মহিলারা। প্রতিবাদ করলেই জুটছে মার। ধৃত অর্জুন মদ্যপ অবস্থাতেই স্ত্রীকে মারধর করছিলেন এবং শুধু তার ছেলেই নয় প্রথমে অর্জুনের স্ত্রীকে আগে বাঁচাতে গিয়ে মার খেতে হয় অন্য এক মহিলাকে। মার খেয়ে সেই মহিলা রনে ভঙ্গ দেওয়ার পরই লক্ষীকান্ত যায় বাবার হাত থেকে মা কে বাঁচাতে। স্থানীয়রা জানিয়েছেন, লক্ষীকান্ত নিজেও মদ্যপ ছিল যে কারনে তাঁর সাথে ঝগড়া করে স্ত্রী বাপের বাড়িতে চলে যায়।

- Advertisement -
Latest news
Related news