Sunday, July 21, 2024

Kharagpur, Helmetless Blunder: খড়গপুরে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা! হেলমেট থেকেও মৃত্যু শালবনীর বিদ্যুৎ কর্মীর

You don't just have to have a helmet, you have to wear it and wear it properly. Not wearing a helmet properly is just as dangerous as traveling without a helmet. On Tuesday morning, a worker of an electricity department in West Midnapore explained this with his own life. Kharagpur Rural Police have recovered the body of the man from the junction of National Highway No. 6 (Howrah-Mumbai National Highway) and No. 60 (Baleswar-Raniganj National Highway) in Rupnarayanpur area near Kharagpur city. The police found out the name of the person Bhaktiprasat Mahat from the driving license and occupation identity card recovered from the pocket of the deceased. The 52-year-old man's house is in Bhangabandh area of ​​West Midnapore district. A police official said: "Since the launch of the Safe Drive Save Live program, the trend of wearing helmets has increased but some people are wearing helmets just to save the law but they are not wearing them. It's so loose that it falls off the head during an accident. All in all, it's the equivalent of not even wearing a helmet. You can fool the police by wearing a helmet, but not death. "

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: শুধু হেলমেট থাকলেই হবেনা তা পরতে হবে এবং ঠিকঠাক ভাবে পরতে হবে। যথাযথ ভাবে হেলমেট না পরলে তা হেলমেটহীন যাত্রার মতই বিপজ্জনক। মঙ্গলবার কাক ভোরে নিজের জীবন দিয়ে এমনটাই বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন পশ্চিম মেদিনীপুরের এক বিদ্যুৎ দপ্তরের কর্মী। খড়গপুর শহর ঘেঁষে যাওয়া রূপনারায়নপুর এলাকার ৬ নম্বর (Howrah-Mumbai National Highway) এবং ৬০ নম্বর (Baleswar-Raniganj National Highway)জাতীয় সড়কের সংযোগস্থল থেকে ওই ব্যক্তির মৃতদেহ উদ্ধার করেছে খড়গপুর গ্রামীন থানার পুলিশ। মৃত ব্যক্তির পকেট থেকে উদ্ধার করা ড্রাইভিং লাইসেন্স ও পেশা পরিচয়পত্র থেকে পুলিশ জানতে পেরেছে ওই ব্যক্তির নাম ভক্তিপ্রসাদ মাহাত। ৫২ বছর বয়স্ক ওই ব্যক্তির বাড়ি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ভাঙাবাঁধ এলাকায়।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

খড়গপুর গ্রামীন পুলিশ সূত্রে জানা গেছে মঙ্গলবার ভোর ৪টা নাগাদ ওই দেহটি উদ্ধার হয়েছে দুটি জাতীয় সড়কের সংযোগ স্থলে অবস্থিত ফ্লাইওভার লাগোয়া ৬ নম্বর জাতীয় সড়কের অংশে। ওই ব্যক্তি লাল রঙের হিরো প্লেসার প্লাস স্কুটির আরোহী ছিলেন যার নম্বর WB 36D 1786. স্কুটিটি রাস্তার ওপর আড়াআড়ি ভাবে পড়ে ছিল। যে লেনে দেহটি পড়েছিল তার থেকে অনুমান করা যাচ্ছে ব্যক্তি গ্রামীন খড়গপুরের দিকেই যাচ্ছিল। স্কুটির সামনের অংশ পুরোপুরি ভেঙেচুরে গিয়েছে এবং ব্যক্তির মুখমন্ডলের একটা অংশ থেঁতলে যাওয়ায় মনে করা হচ্ছে কোনও বড় গাড়ির সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষেই মৃত্যু হয়েছে। মাথার ডানপাশের খুলি ও মুখমন্ডল কার্যত উড়ে গিয়েছে। তাঁর হেলমেটটি মাঝ রাস্তায় অদূরেই পড়ে রয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে যা দেখা যাচ্ছে ওই ব্যক্তির মুখমন্ডল ছাড়া পুরো শরীরই প্রায় অবিকৃত ছিল। সরাসরি মাথায় ধাক্কা লাগাতেই এই মৃত্যু হয়েছে। ব্যক্তির অদূরে থাকা হেলমেটটি দেখে মনে হয়েছে ওই ব্যক্তি হেলমেট পারেননি, শুধুমাত্র নিয়মরক্ষার্থে বা আইন বাঁচাতে হেলমেট সঙ্গে রেখেছিলেন। হেলমেট পরলেও তার বেল্ট লাগাননি অথবা বেল্ট ঢিলে থাকার কারনে থাকা দুর্ঘটনার সময় ছিটকে পড়েছে। উদ্ধার হওয়া হেলমেটটি দেখে বোঝা যাচ্ছে যে, হেলমেটটি ফুল হেলমেট ছিল যা পরে থাকলে মাথায় এই আঘাত লাগার সম্ভাবনাই ছিলনা। এক পুলিশ আধিকারিক আফসোস করে বলেছেন, হেলমেট না পরে মৃত্যু যেমন আফসোসের তারও থেকে বড় আফসোস হেলমেট থাকা স্বত্ত্বেও তার ব্যবহার না করা বা সঠিকভাবে ব্যবহার না করা। এই দেহটি দেখে বোঝা যাচ্ছে হেলমেট পরলেই উনি বেঁচে যেতেন।

ওই পুলিশ আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, “সেফ ড্রাইভ সেভ লাইভ কর্মসূচি শুরু হওয়ার পর থেকে হেলমেট পরার প্রবণতা বেড়েছে কিন্তু একটা অংশ শুধু আইন বাঁচাতেই সঙ্গে হেলমেট রাখছে কিন্তু তাঁরা পরছেননা। কেউ গাড়িতে, কেউ হাতে হেলমেট ঝুলিয়ে রাখেন। কেউ আবার হেলমেট পরলেও বেল্ট বাঁধেননা কারও আবার বেল্ট এতটাই ঢিলে থাকে যে দুর্ঘটনার সময় তা পড়ে যায় মাথা থেকে। সব মিলিয়ে এক্ষেত্রে হেলমেট থেকেও না থাকার সমান হয়ে দাঁড়ায়। সঙ্গে হেলমেট রেখে আপনি হয়ত পুলিশকে ফাঁকি দিতে পারেন কিন্তু মৃত্যুকে নয়।” ব্যক্তির দেহ উদ্ধার করে খড়গপুর মহকুমা হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে ময়নাতদন্তের জন্য। জানা যাচ্ছে শালবনীর মৌপাল এলাকার ভাঙাবাঁধে তাঁর বাড়ি হলেও মেদিনীপুর শহরের রাঙামাটি হাউসিং কমপ্লেক্সে থাকতেন ওই ব্যক্তি। কিন্তু এত ভোরে খড়গপুরের দিকে কোথায় এবং কেন যাচ্ছিলেন খোঁজ নিচ্ছে পুলিশ।

- Advertisement -
Latest news
Related news