Sunday, July 14, 2024

Digha Fatal Death: হানিমুনেই বিধবা তরুণী! দিঘার সমুদ্রে ছবি তোলার সময় বজ্রপাতে মৃত ২ বন্ধু

They were married for only a year. Sugam and Tiyasa were not taking time off from work. Holidays are for the chariot. 3 days off from Friday to Sunday. So it will be a honeymoon. Persistent friendship with. 3 friends also came. After booking a room in the hotel, 3 of their friends also went to sea with Sugam and Tiyasa. Kshanika Ghat adjacent to New Dighar Holiday Home The newlyweds were bathing with other friends not far away. A local cameraman took pictures to capture Digha's memory. It had already started to rain. Lightning struck as he hurried to the shore to return to the hotel. 6 people were downe on the spot. Along with Sugam and friend Shubhjit, Tiasa and the rest of the friends are a little far away. When she regained consciousness at Digha Hospital, Tiyasa found out that she had become a widow on her honeymoon. Not easy, not even Shubhjit. On Friday, on the auspicious date of the Rath Yatra, the lightning took away the vermilion of the twenty-first year of Tiyasa. The tragic news had to be reported at home from Digha Hospital. The newly widowed young woman with her mobile phone in her hand said, "Mom, Sugam is no more!"

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: বিয়ে হয়েছিল মাত্র বছর খানেক। করোনা আর কাজের দাপটে অবকাশ হচ্ছিলনা সুগম আর তিয়াসার। ছুটি মিলল রথের জন্য। শুক্র থেকে রবি টানা ৩দিনের ছুটি। সুতরাং হয়ে যাবে হানিমুন। সঙ্গে নাছোড়বান্দা বন্ধুত্ব। এসেছিল ৩ বন্ধুও। হোটেলে রুম বুক করেই সুগম আর তিয়াসার সাথে সমুদ্রে নেমেছিলেন ওঁদের ৩ বন্ধুও। নিউ দিঘার হলিডে হোম সংলগ্ন ক্ষণিকা ঘাটে
নবদম্পত্তি স্নান করছিলেন অদূরেই অন্য বন্ধুরা।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে
শুভজিৎ

দিঘার স্মৃতি ধরে রাখতে ছবি তুলেছিলেন স্থানীয় ক্যামেরাম্যান। ইতিমধ্যে শুরু হয়েছিল বৃষ্টি। তাড়াহুড়ো করে হোটেলে ফেরার জন্য পাড়ে উঠতেই আছড়ে পড়ল বাজ। ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়লেন ৬ জন। সুগম আর বন্ধু শুভজিৎ পাশাপাশি, একটু দূরেই তিয়াসা আর বাকি বন্ধুরা। দিঘা হাসপাতালে জ্ঞান ফিরতে তিয়াসা জানলেন হানিমুনে এসে বিধবা হয়ে গেছেন তিনি। সুগম নেই, নেই শুভজিৎও।

শুক্রবার, রথযাত্রার পুণ্য তিথিতেই বজ্রপাত কেড়ে নিল বছর একুশের তিয়াসার সিঁথির সিঁদুর। দিঘা হাসপাতাল থেকেই বাড়িতে জানাতে হচ্ছিল সেই মর্মান্তিক সংবাদ। মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে সদ্য বিধবা তরুণী জানালেন, ” মা, সুগম আর নেই গো!”

সুগম

দিঘা পুলিশ জানিয়েছে, এইদিন বজ্রপাতের ঘটনায় মোট ৬জন আহত হলে তাঁদের উদ্ধার করে দিঘা স্টেট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে আসেন নুলিয়া ও পুলিশ কর্মীরা। সেখানেই ২ জনকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। মৃতরা হলেন উত্তর চব্বিশ পরগনার হালিশহরের সুগম পাল(২৪) ও নদিয়ার কল্যাণীর শুভজিৎ পাল(২৫)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার বিকেলে নিউ দিঘার ক্ষণিকা ঘাটে স্নান করছিলেন নিহত দুই বন্ধু। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন সুগমের স্ত্রী তিয়াসা এবং অপর দুই বন্ধু কল্যাণীর বাসিন্দা দেবাশিস বিশ্বাস ও সমীর পাল।

মা, সুগম আর নেই! কান্নায় ভেঙে পড়ে সদ্য বিধবা তিয়াসা

ঘটনার সময় ওই দম্পত্তি ও তাঁদের সঙ্গে আসা ৩ বন্ধুর ছবি তুলেছিলেন নিউ দিঘার বাসিন্দা ক্যামেরাম্যান অভিজিৎ মাইতি। বজ্রপাতে লুটিয়ে পড়েন তিনিও। অভিজিৎ জানিয়েছেন, ” আজ সকাল থেকেই দিঘার আকাশের মেঘ ভার ছিল। দুপুরের পর এক পশলা বৃষ্টিও হয়ে যায়। এরপর বৃষ্টি কিছুটা কমতে ওঁরা যখন স্নান সমুদ্রে নামেন তখন বিকাল প্রায় ৪টা। ওঁদের চনের সময় আবারও টিপটিপ করে বৃষ্টি শুরু হয়। এবার বড় বড় ফোঁটা। আলোও কমে আসছিল। দু’একবার বাজ পড়ে। আমি ওঁদের উঠে আসতে বলি। আর ভালো ছবি হবেনা তাই আমিও উঠে আসি। ওঁদের বললাম, আগামীকাল রোদ উঠলে ভালো ছবি তুলে দেব। আমি পাড়ের দিকে উঠলাম। ওরাও পেছন পেছন। আর তারপরই বিকট আওয়াজ। চারদিক অন্ধকার। আর কিছুই মনে নেই। জ্ঞান ফিরল হাসপাতালে।”

হাসপাতালে কিছুটা সুস্থ হওয়ার পর ওই ৫জনের একজন দেবাশিস বিশ্বাস বলেন, ” বন্ধু দম্পত্তির সাথে আমরা ৩বন্ধুও এসেছিলাম। আমাদের চারবন্ধুর মধ্যে অসম্ভব বন্ধুত্ব। একা একা আমরা কিছুই করিনা। আমাদের কেউ গাড়ি চালায়, কেউ খাবার ডেলিভারির কাজ করি। একজনের ছুটি হয়ত অন্য জনের হয়না। এই করতে করতে রথের দিন থেকে টানা তিনদিনের ছুটি ম্যানেজ করলাম আমরা। সুগম আর তিয়াসার হানিমুনের সঙ্গে আমাদের ঘোরাটাও হয়ে যাবে। বাজ এবং বৃষ্টি পড়া শুরু হতেই সমুদ্র থেকে উঠে আসছিলাম। তিয়াসা আর আমি এবং সমীর একটু আগে আগে হাঁটছিলাম। একটু পেছনে সুগম আর শুভজিৎ। ক্যামেরাম্যানও ছিল আমাদের সঙ্গে। তারপর হঠাৎই প্রচন্ড আলো ঝলসে উঠল। আর আমার কিছুই মনে নেই। পরে জানলাম সুগম আর শুভজিৎ নেই। এখন কী মুখ নিয়ে ওঁদের পরিবারের সামনে দাঁড়াবো?”

- Advertisement -
Latest news
Related news