Sunday, July 21, 2024

Kharagpur Shame: লজ্জায় মুখ ঢাকলো খড়গপুর! কাউন্সিলরকে টাইট দিতে গিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হল জনতার প্রয়োজন, সরকারি সম্পদ

Burnt with manure, melted iron brackets of lamp posts, which are hung with lights to illuminate the road. The summer is coming, in a few days there will be severe water crisis in Kharagpur city. Burnt ash submersible pump parts. The burnt ashes are various documents of the people submitted to the councilor. People are crying, councilors are crying. There is no separate office arrangement for all councilors of Kharagpur municipality. So Councilor Anushree Behara of Ward No. 27 built an office like his own. The miscreants set it on fire in the development area of ​​Kharagpur Town Police Station late on Thursday night. This is the first such incident in Kharagpur.

- Advertisement -spot_imgspot_img
Street lights

নিজস্ব সংবাদদাতা: সার দিয়ে পুড়ে বেঁকে, গলে গেছে ল্যাম্প পোষ্টের লোহার ব্র্যাকেট, যে গুলোতে আলো লাগিয়ে ঝোলানো হয় রাস্তা আলোকিত করার জন্য। গরম আসছে, ক’দিন পরেই তীব্র জলসঙ্কট দেখা দেবে খড়গপুর শহরে। পুড়ে ছাই সাবমার্সিবল পাম্পের যন্ত্রাংশ। পুড়ে ছাই কাউন্সিলরের কাছে জমা দেওয়া মানুষের বিভিন্ন নথি। হায় হায় করছেন মানুষ, কাঁদছেন কাউন্সিলর। খড়গপুর পুরসভার সমস্ত কাউন্সিলরের জন্য আলাদা অফিসের বন্দোবস্ত নেই। তাই ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর অনুশ্রী বেহারা নিজের মত করে একটি কার্যালয় বানিয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে খড়গপুর টাউন থানার ডেভেলপমেন্ট এলাকায় সেটাই পুড়িয়ে দিয়েছে দুষ্কৃতীরা। খড়গপুরে এমন নক্কারজনক ঘটনা এই প্রথম।

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে
Documents

শুক্রবার খবর পেয়েই ভোরবেলায় ঘটনাস্থলে ছুটে যান কাউন্সিলর অনুশ্রী বেহেরা। নিজের দ্বিতীয় বাড়ির ভস্মীভূত চেহারা দেখে রীতিমতো কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন তিনি। বলেন, ‘এটা আমার  নিজের অফিস ছিলনা। গনদেবতার মন্দির ছিল যা জ্বালিয়ে দিয়েছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই।’ খড়গপুররেই ছিলেন সাংসদ দিলীপ ঘোষ। খবর পেয়ে সকালেই পৌঁছে যান তিনিও। ঘটনার নিন্দা করে শাসকদলকে বিঁধেছেন। বলেছেন, খুবই দুর্ভাগ্যজনক ও লজ্জাজনক ঘটনা। খড়গপুরের রাজনীতির এত পতন ছিল না। এই ধরনের ঘটনা খড়গপুরে আগে কখনও হয় নি।” পাশাপাশি তিনি বলেছেন ” আশা করব প্রশাসন দোষীদের খুঁজে বের করবে। কড়া সাজা দেবে।”

২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলর অনুশ্রী বেহেরা বলেছেন ” ছাপ্পা করেও জিততে পারে নি। তাই এরকম নোংরা কাজ করে দেখিয়ে দিল। বলার কোনও ভাষা নেই। ওরা এতটা নিচে নেমে যাবে ভাবতে পারছি না।”

Anushri Behera

তারসাথে তিনি গোটা ঘটনার জন্য তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা রয়েছে বলে জানালেন ” সবথেকে বেশি ক্ষতি হয়েছে। ওয়ার্ডবাসীর যাবতীয় গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে।” অনুশ্রী তাঁর অভিযোগে বি. ভাগ্য রাও, পি. লোকেশ, আর. কমলেশ, বি. চনরা, আশিষ চ্যাটার্জী সহ ৮ জনের নাম উল্লেখ করেছেন। এঁরা সবাই এলাকায় তৃনমূল কর্মী নামেই পরিচিত।

যদিও তৃণমূলের পক্ষ থেকে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার পেছনে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে বলে তৃণমূল নেতারা দাবি করেছেন। তৃণমূলের জেলা সভাপতি সুজয় হাজরা গোটা ঘটনার পেছনে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব রয়েছে বলে দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন ” তৃণমূলের কেউ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত নয়। কারন তৃণমূল এইধরনের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে বিশ্বাস করে না। গোটা ঘটনা বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের বহিঃপ্রকাশ। এখন তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানো হচ্ছে।”

- Advertisement -
Latest news
Related news