Sunday, July 14, 2024

Kharagpur Crime: ৮ কোটির লড়াইয়েই খতম প্রসাদ ! রেলের ২ কর্মচারী সহ গ্রেফতার ৩, বড় সাফল্য খড়গপুর পুলিশের

Finally, the Kharagpur police unveiled the mystery of Prasad's murder. It is learned that Prasad Rao, a former Trinamool Congress activist from Kharagpur, was killed in a fight over a land worth Rs 8 crore. Note: On the night of June 27, 41-year-old Prasad was shot dead in front of the Old Settlement Mata Mandir in Kharagpur. He returned to Kharagpur from Visakhapatnam on the same day. Three miscreants of Kharagpur city were arrested in the same incident on Friday, out of which two were employees of Kharagpur Railway. Shubham Sonar, 29, hails from Kharida Jharkhand Basti in Kharagpur town. The other two are Krishna Rao and N Ishwar Rao. of Mathurakati area of ​​the city. The two were involved in various anti-social activities in the city as well as railway employees. With a 200 decimal or 2 acres of land, the tug of war started between Prasad Rao and the rest. Shubham, Krishna and Ishwar brokered that 2 acres of land adjoining the City of central Kharagpur . But Prasad got in the middle and told the land owner that he would do the brokerage. And then the plot to kill Prasad started. After spending a few days in Bangkok, Prasad went straight to his home in Visakhapatnam. As the ticket is not confirmed, he held for days. After he returned on Monday the story had finished by the accused.

- Advertisement -spot_imgspot_img

নিজস্ব সংবাদদাতা: অবশেষে প্রসাদ হত্যা রহস্যের আবরণ উন্মোচন করল খড়গপুর পুলিশ। জানা গেছে ৮ কোটি টাকা মূল্যের একটি জমি কেনাবেচা কে কেন্দ্র করেই লড়াইয়ের জেরে খুন হয়েছেন খড়গপুর শহরের মাফিয়া গোষ্ঠীর একদা সাকরেদ তথা তৃনমূল কংগ্রেস কর্মী প্রসাদ রাও। উল্লেখ্য ২৭শে জুন রাতে খড়গপুর শহরের ওল্ড সেটেলমেন্ট মাতা মন্দিরের সামনে ৪১ বছরের প্রসাদকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে দিয়েছিল দুষ্কৃতিরা। ঘটনাচক্রে সেদিনই বিশাখাপত্তনম থেকে খড়গপুরে ফেরেন তিনি। একটি ফোন পেয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন তিনি। তারপরই ঘটে যায় সেই ভয়াবহ হত্যাকান্ড। প্রায় হাফডজন গুলি সেঁধিয়ে যায় তার বুকে, পেটে, ঘাড়ে, পিঠে। বাঁচার সম্ভবনা ছিলনা, বাঁচেননিও। ঘটনার মিনিট কুড়ির মধ্যেই রেল হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। শুক্রবার সেই ঘটনাতেই গ্রেফতার করা হয়েছে খড়গপুর শহরের ৩ দুষ্কৃতিকে যার মধ্যে ২জন খড়গপুর রেলেরই কর্মচারী!

আরো খবর আপডেট মোবাইলে পেতে ক্লিক করুন এখানে

খড়গপুর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃতরা হল শুভম সোনার। ২৯ বছরের শুভমের বাড়ি খড়গপুর শহরের খরিদা ঝাড়খন্ড বস্তিতে। অন্য দুজন শহরের মথুরাকাটি এলাকার জে. কৃষ্ণা রাও এবং এন ঈশ্বর রাও। এই দুই ব্যক্তি শহরের বিভিন্ন ধরনের অসামাজিক কার্যক্রমের পাশাপাশি রেলেরও কর্মচারী ছিলেন। ঠিক যেমনটা এঁদের একদা গডফাদার খড়গপুর মাফিয়া নিহত শ্রীনু নাইডুও রেলের কর্মচারী ছিলেন। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন অসামাজিক কাজের পাশাপাশি জমির দালালির সঙ্গে যুক্ত ছিল এই ৩জন। অন্যদিকে প্রসাদও নিজের মত করে জমির দালালি করত। দুটো পরস্পর বিরোধী গোষ্ঠী আলাদা ভাবে এই দালালির কাজ করে আসছিল। জমির পরিমান ক্রমশঃ কমতে থাকায় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ তৈরি হচ্ছিল। কোনও কোনও সময় একই জমির ওপর নজর পড়ত দুটি গোষ্ঠীর।

ঠিক এরকমই একটি ২০০ডিসিমেল বা ২একর জায়গা নিয়ে টানাপোড়েন শুরু হয় প্রসাদ রাও বনাম বাকিদের। মধ্য খড়গপুর শহর লাগোয়া অঞ্চলের ওই দু’একর জমির দালালি করেছিল শুভম, কৃষ্ণা এবং ঈশ্বর। জমির দাম উঠেছিল ৮কোটি টাকা। কাছাকাছি ২০ লাখ টাকা পকেটে আসত ওই দালালি বাবদ। কিন্তু প্রসাদ মাঝখানে ঢুকে পড়ে এবং জমির মালিককে বলে দালালি করবে সে। দুই গোষ্ঠীর মাঝে পড়ে থমকে যায় লেনদেন। আর তারপরই শুরু হয় প্রসাদ হত্যার পরিকল্পনা। বেশ কিছুদিন ব্যাঙ্ককে কাটানোর পর প্রসাদ সরাসরি বিশাখাপত্তনমে নিজের বাড়িতে গিয়েছিল। টিকিট কনফার্ম না হওয়ায় সেখানে ২দিন থাকে। তারপর সোমবার ফেরে আর সেইদিনই গল্প শেষ করে দেয় অভিযুক্তরা।

জানা গেছে প্রসাদ বনাম এই তিনজনের শত্রুতা প্রায় গত আট বছরের। ২০১৭ সালে শ্রীনু নাইডু নিহত হওয়ার আগে এই চারজনই শ্রীনুর সাকরেদ ছিল। প্রসাদ কৌশল করে শ্রীনুকে দিয়ে এদের তাড়ায় দল থেকে। প্রসাদ বুঝিয়েছিল এরা গদ্দার। শত্রুতার সেই শুরু। কিন্তু মৃত্যুর কিছু আগে ভুল ভাঙে শ্রীনুর। বুঝতে পারে প্রসাদ তাকে ভুল বুঝিয়েছে। শ্রীনু তাড়িয়ে দেয় প্রসাদকেও। এরপর শ্রীনুর মৃত্যুর পর আলাদা আলাদা কারবার শুরু করে এরা। প্রচুর টাকা করে বিশাখাপত্তনমে শপিংমল সহ নানা ব্যবসা খুলে বসে প্রসাদ। ছিল নিত্য যাওয়া আসা।

পুলিশ জানিয়েছে, সোমবারের ঘটনায় প্রধানত গুলি চালানোর কাজটি করেছিল শুভমই। বাকিরা স্কুটি করে তাকে কভার দিয়েছিল। তিনজনকেই নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। উদ্ধার হয়েছে খুনে ব্যবহৃত স্কুটিও। পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে কয়েকমাস আগেও সশস্ত্র গ্রেফতার হয়েছিল ঈশ্বর রাও। সেই মামলায় জামিনে রয়েছে ঈশ্বর। ৩ জনকে আদালতে পেশ করে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে পুলিশ।

- Advertisement -
Latest news
Related news